শিরোনাম:
●   বেকারত্বের অবসান না হলে সামাজিক অস্থিরতা, নৈরাজ্য ও অপরাধ প্রবনতা আরও বৃদ্ধি পাবে ●   মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি ●   পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন ●   ‘সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলার লক্ষে কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহারে গাছের চারা রোপন করেছেন সবুজ চাকমা ●   যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে যৌথভাবে রাঙামাটি–রাজস্থলী রুটে পর্যটকবাহী পিকআপ চলবে ●   মানুষ এখন সরকারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচীর বাস্তবায়ন দেখতে চাইবে ●   ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান রাজনৈতিক নেতৃত্বের মনস্তত্ত্বে ও আচরণে বিশেষ কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি ●   রিকশা শ্রমিক - শ্রমজীবীদের বাঁচার দাবি পূরণ করে সরকারকে শ্রমিকবান্ধব হিসাবে প্রমান করতে হবে ●   রাঙামাটির প্রবেশ মুখে পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৪ : আহত-২ ●   কাউখালীতে যুব দিবস পালিত ●   খাগড়াছড়িতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ‘প্রকৃতি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ●   ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ●   কাপ্তাই লেকে ৩মাস ১৫দিন নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু ●   আইসিটি মামলায় রাঙামাটিতে সাংবাদিকসহ ২ জনকে আটক করেছে ডিবি ●   বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারত সরকার হাসিনা কার্ড খেলছে : সাইফুল হক ●   ঈশ্বরগঞ্জে বাড়ি ঘরে হামলা ভাংচুর হত্যার চেষ্টা ●   কাউখালীতে জুলাই গণ অভ্যুথান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ●   ঝালকাঠিতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় আওয়ামী লীগ নেতার ফুলেল শুভেচ্ছা ●   রাবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের ১২তম সভা অনুষ্ঠিত ●   রাঙামাটির কল্যাণপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে দুই দোকান পুড়ে ছাই
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

Daily Sonar Bangla
শুক্রবার ● ১৭ অক্টোবর ২০২৫
প্রথম পাতা » খেলাধুলা » গুরুতর অভিযোগে স্বর্ণজয়ী দিপু চাকমা এশিয়ান গেমসের ক্যাম্প থেকে বহিষ্কার
প্রথম পাতা » খেলাধুলা » গুরুতর অভিযোগে স্বর্ণজয়ী দিপু চাকমা এশিয়ান গেমসের ক্যাম্প থেকে বহিষ্কার
৭০৩ বার পঠিত
শুক্রবার ● ১৭ অক্টোবর ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গুরুতর অভিযোগে স্বর্ণজয়ী দিপু চাকমা এশিয়ান গেমসের ক্যাম্প থেকে বহিষ্কার

--- নূরুল ইসলাম, ঢাকা ১৬ অক্টোবর ২০২৫ :: আসন্ন সাউথ এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতির চেয়ে ব্যক্তিগত বিশৃঙ্খলাকেই বড় করে তুলেছিলেন দিপু চাকমা। কোচের নির্দেশনা অমান্য করা, ক্যাম্পে গ্রুপিং করে বিদ্রোহের চেষ্টা, এমনকি বিদেশি কোচকে বার্তা লেখে বিব্রত করার মতো গুরুতর সব অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। সেই সাথে নারী নির্যাতন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সব মিলিয়ে জাতীয় তায়কোয়ানডো প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের শৃঙ্খলা যখন ভেঙে পড়ার উপক্রম, তখনই কঠোর অবস্থানে গেল তায়কোয়ানডো ফেডারেশন। ২০১৯ সালের সাউথ এশিয়ান গেমসের স্বর্ণজয়ী এই খেলোয়াড়কে ক্যাম্প থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশন জানিয়েছে, ক্যাম্পের শৃঙ্খলা রক্ষায় শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। দলের কোচদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগের সত্যতা মেলার পরই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।
ফেডারেশনের সূত্রে জানা গেছে বিশৃঙ্খলা যখন চরমে, তখন দিপু চাকমার বিরুদ্ধে অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানতে পেরে তিনি ক্যাম্পের শৃঙ্খলা পুরোপুরি ধ্বংসের চেষ্টা করেন তার সহযোগী অন্য আরেক খেলোয়াড় ফয়সার আহমেদকে নিয়ে । তারা দলের খেলোয়াড়দের উস্কানি দিয়ে সবাইকে নিয়ে ক্যাম্প ছেড়ে দেওয়ার বারংবার হুমকি দেন। শুধু তাই নয়, দলের কোচ ও অ্যাডহক কমিটিকে পাশ কাটিয়ে তিনি নতুন কোরিয়ান কোচ- মি. চই জাংগু’কে কোরিয়ান ভাষায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে বার্তা পাঠান, যা ওই বিদেশি কোচকে মারাত্মক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে দেয়।
এ ধরনের ঘটনাকে ফেডারেশন চরম অবাধ্যতা এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার শামিল বলে মনে করছে।
এছাড়াও আরও অভিযোগ এসেছে, ক্যাম্পে নারী খেলোয়াড়দের স্ট্রেচিং ট্রেনিংয়ের সহায়তার নামে দিপু চাকমা প্রায়ই বিভিন্নভাবে তাদের শরীরে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করতেন। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর তাকে সতর্ক করা হলেও তিনি তা উপেক্ষা করেন এবং একই আচরণ অব্যাহত রাখেন।
ফৌজদারি মামলা ও অনৈতিকতা এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের পাশাপাশি দিপু চাকমার বিরুদ্ধে রয়েছে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ। তিনি তার চাকমা স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও আরেকজন মুসলিম তায়কোয়ানডো নারী খেলোয়াড়কে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে এবং বিয়ের পর তাকে মারধরের অভিযোগে দায়েরকৃত নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
আরও মারাত্মক অভিযোগ হলো, ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মোসলেম মিয়া তার অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে এই সব তথ্য গোপন করে দিপু চাকমাকে জাতীয় দলে জায়গা করে দিয়েছিলেন।
পরবর্তীতে দিপু চাকমাকে ক্যাম্প থেকে অপসারণের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, তার সহযোগি ফয়সাল আহমেদ এর মাধ্যমে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, তার এই কর্মকাণ্ডে ফেডারেশনেরই বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ইন্ধন দিচ্ছেন। এদের মধ্যে যুগ্ম সম্পাদক মো. মোসলেম মিয়া, মো. নূরদ্দিন হোসেইন, শাহ মো. মন্জুরুল হক পাটওয়ারি, সাকলাইন জনি, মোকসেদোর রহমান, জাহাঙ্গীর, সহ আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে- তাদের মধ্যে রয়েছে আবদুল্লাহ আল নোমান, জামাল হোসেন, সৌরভ খান প্রমূখ।
এই ঘটনা ফেডারেশনের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে প্রকাশ্যে এনেছে।

প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের কোচ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “তার (দিপুর) কার্যকলাপ দলের একাত্মতা এবং আসন্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ আসরের প্রস্তুতির জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আমাদের যৌথ সিদ্ধান্তে এই পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।”





আর্কাইভ