শিরোনাম:
●   যে কোন চেহারার মব সন্ত্রাস পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে ●   সকল উন্নয়ন মূলক কাজে বিএনপির সাথে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পথ দীর্ঘ হবে : জুঁই চাকমা ●   সময় তারেক রহমানের উপর এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব অর্পণ করেছে ●   ভাষা শহীদেরা আমাদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের জমিন তৈরী করে দিয়েছিল ●   রাঙামাটিতে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধাঞ্জলী ●   একটা গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিন ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের স্মারকলিপি প্রদান, অবস্থান ধর্মঘট, বিক্ষোভ ও হরতাল কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা ●   জুঁই চাকমা’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা ●   রাঙামাটি-২৯৯ আসনে দীপেন দেওয়ানকে জুঁই চাকমার অভিনন্দন ●   জুঁই চাকমার নির্বাচনী ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ ●   ঢাকা-১২ আসনে কোদাল মার্কায় গণজোয়ার কোদাল মার্কায় ভোট দিয়ে ভোটের মর্যাদা রক্ষা করুন : জননেতা সাইফুল হক ●   আমি প্রতিহিংসার রাজনীতি করিনা : জুঁই চাকমা ●   রাঙামাটি পৌর কর্তৃপক্ষ দিনের বেলায় ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার না করে রাতের বেলায় যাতে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করেন : জুঁই চাকমা ●   বেতবুনিয়াতে জুঁই চাকমার জনসংযোগ ●   ২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করুন, অন্যথায় নির্বাচন অফিস ঘেরাও করবো : সাইফুল হক ●   আমি নারীর অধিকার,নারীর সমতা নিয়ে কাজ করিব : জুঁই চাকমা ●   আমার পার্টি গণতন্ত্রের পক্ষে এ কারণে আমি রাঙামাটি ২৯৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি ●   এদের কোন নীতি আদর্শ নাই এরা কখনো ব্যাঙের মুখে চুমু দেয় আবার কখনো সাপের মুখে চুমু দেয় ●   সকল লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে আমাকে কোদাল মার্কায় ভোট দিন : জুঁই চাকমা ●   কোদালেই ভোট দিন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা ফিরিয়ে আনব : জননেতা সাইফুল হক
ঢাকা, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২

Daily Sonar Bangla
রবিবার ● ২৭ জুন ২০২১
প্রথম পাতা » কৃষি » গাছের আম বাগানেই হচ্ছে নষ্ট
প্রথম পাতা » কৃষি » গাছের আম বাগানেই হচ্ছে নষ্ট
৫৬১ বার পঠিত
রবিবার ● ২৭ জুন ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গাছের আম বাগানেই হচ্ছে নষ্ট

ছবি : সংবাদ সংক্রান্তঝিনাইদহ প্রতিনিধি :: ঝিনাইদহের আম চাষিদের ঘরে ঘরে এখন কান্না। লকডাউনের কারণে বাজার পড়ে যাওয়া ও যানবাহনের অভাবে বাগানেই আম পচে যাচ্ছে। করোনাকালীন সময় পুলিশ ও প্রশাসনের বাধায় আম বাজারে তুলতে পারছে না চাষিরা। ফলে ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋন নিয়ে আম চাষ করায় চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে। বর্তমান আমের যে বাজার তাতে উৎপাদন খরচ উঠছে না। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের কাশিমনগর গ্রামের বুলবুল আহম্মেদ বাপ্পি ঋন নিয়ে ৬ বিঘা জমিতে আম্রপালি জাতের আম চাষ করেছিলেন। ব্যাংকসহ বিভিন্ন এনজিওতে তার দেনা ৬ লাখ টাকা। কিন্তু তিনি এখন ভালো দামে আম বিক্রি করতে পারছেন না। দাম না পাওয়ায় গাছেই তার আম পেকে নষ্ট হচ্ছে। কি ভাবে তিনি দোনা শোধ করবেন বুঝতে পারছেন না। একই গ্রামের সন্টু জোয়ারদার বাগানে আমের ব্যাপক ক্ষতি দেখে শনিবার দুপুরে বাগানেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তিনিও ঋন নিয়ে আম চাষ করেছিলেন। ওই গ্রামের সাজেজার রহমানের সবচে বেশি আম বাগান রয়েছে। তিনি কিছু আম বিক্রি করতে পারলেও এখন আর ব্যাপারীরা আম কিনতে আসছে না। কাশিমনগর গ্রামের মোদাচ্ছের, তোফাজ্জেল হোসেন ও আলীনুর রহমানও জানালেন তাদের কষ্টের কথা। আম চাষি বুলবুল আহম্মেদ বাপ্পি জানান, এখন আমের ভরা মৌসুম চলছে। অথচ বাগানে কোন ব্যাপারী আসছে না। কিছু ব্যাপারী বাগান কিনে বায়না করে গেলেও তাদের অপেক্ষায় থেকে থেকে বাগানের আম গাছেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সন্টু জোয়ারদার জানান, ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, খুলনা, ফরিদপুর ও পিরোজপুর জেলার ব্যাপারীদের পদভারে এ সময় আম বাগান মুখরিত থাকতো। এখন আর কেও আম কিনতে আসছে না। তিনি জানান কিছু ব্যাপারী আসলেও তারা ৬৮০ টাকা মন আম কিনেত চাচ্ছে। এই দামে আম বিক্রি করলে তাদের লোকসান হবে বলেও ওই চাষি জানান। এলাকার বড় আম চাষি সাজেজার রহমান জানান, তাদের এলাকায় এক হাজার বিঘা জমিতে আম চাষ হয়েছে। কাশিমনগর ছাড়াও লক্ষিপুর, দহিঝুড়ি, আটলিয়া, চন্ডিপুর, শংকরপুর, জালালপুর ও মাধবপুরের আম চাষিরা করোনাকালীন সময়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে। দক্ষিনাঞ্চলের সবচে বড় আমের মোকাম হচ্ছে জেলার কোটচাঁদপুরে। সেখান থেকে ১০ দিন আগেও দেড়শ থেকে দুইশ ট্রাক আম দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হতো। এখন মাত্র ৫০ ট্রাক আমও বিক্রি হচ্ছে না। কোটচাঁদপুরের আড়ৎদার মোমিনুর রহমান জানান, বর্তমান আমের বাজার খুবই ডাউন। করোনার কারণে আম বাজারজাত ও পরিবহন করা যাচ্ছে না। শনিবার পর্যন্ত সবচে ভালে আম বিক্রি হয়েছে ১২০০ টাকা মন। আর বেশির ভাগ আম ৪০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা মন বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন এই দামে আম বিক্রি করে চাষিদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। কোটচাঁদপুরের বাজারে যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার আম বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়। ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আজগর আলী জানান, জেলায় ২২১১ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। এর মধ্যে সদরে ৫৮০, কালীগঞ্জে ৩৭০, কোটচাঁদপুরে ৭১০, মহেশপুরে ৫০০, শৈলকুপায় ২৫ ও হরিণাকুন্ডুতে ২৬ হেক্টর বাগান। এ সব বাগানে এ বছর ৩৩ হাজার ৫১১ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়েছে। তিনি জানান, চাষিদের আম পরিবহন সহজতর করার জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু করোনার ভয়াল বিস্তার ও নানা বিধি নিষেদের কারণে চাষিরা আম বিক্রি করতে পারছে না। বাইরের ব্যাপারীরা পরিবহন সংকটের কারণে আসতে পারছে না। তাদের জন্য একটা বিহিত করা দরকার বলেও তিনি মনে করেন।





আর্কাইভ