শিরোনাম:
●   ধাম্মামিশন সাময়িকীর প্রথম সংখ্যা প্রকাশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ●   পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটন কেন্দ্ৰ বন্ধ ঘোষণা করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন ●   রাঙামাটিতে সিএনজির ধাক্কায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত সুখেল চাকমার পক্ষে মামলা ●   পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ৃয়া জনগোষ্ঠীর লোকজন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য যে কোন আন্দোলন সংগ্রাম করবে ●   রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব এর আত্মপ্রকাশ : সভাপতি আজিজুল সম্পাদক লোকমান ●   গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নতুন মজুরি কাঠামোর আহ্বান ●   জাঁকজমকপূর্ণভাবে রাঙামাটিতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন ●   পার্বতীপুরে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু ●   করেরহাটে অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ●   পোশাক শ্রমিকের নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি ●   রাঙামাটিতে জমি বিরোধ নিয়ে ১৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের চার্জশিট ●   পদত্যাগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব সংহতির সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম ●   রাঙামাটি জেলা বিএনপি নেতার আশির্বাদে আওয়ামীলীগ নেতা সহ-সভাপতি ●   প্রধান শিক্ষক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার সংবাদের প্রতিবাদ ●   অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে : রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ ●   সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি বিকৃত করে ফেইজবুকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ●   প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন থেকে শ্যামল চৌধুরী বহিষ্কার ●   পাহাড়ের শান্তিতে বিএনপি সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ : প্রধানমন্ত্রীকে পিসিএনপির অভিনন্দন ●   সারের সংকট না থাকলে থাকলে কৃষকেরা সারের গোডাউন লুট করবে কেন?
ঢাকা, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

Daily Sonar Bangla
বৃহস্পতিবার ● ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয়
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয়
৫৩৬ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ৩০ এপ্রিল ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয়

গৌতম বুদ্ধের প্রধান  তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয় দেবদত্ত মুৎসুদ্দী :: আজ বুদ্ধ পুর্ণিমা মহামানব তথাগত গৌতম বুদ্ধের জন্মদিন বুদ্ধ পূর্ণীমার তাৎপর্য্য সারাবিশ্বের বৌদ্ধ ধর্মাঅবলম্বীদের বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা হল পবিত্রতম একটি ধর্মীয় উৎসব। এই পুণ্যোৎসব বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে উদযাপিত হয়।বৈশাখী পূর্ণিমা দিনটি গৌতম বুদ্ধের ত্রিস্মৃতি বিজড়িত ও ঘটনাবহুল দিবস এটি।
গৌতম বুদ্ধের জীবনের তিনটি প্রধান ঘটনাকে ‘বুদ্ধপূর্ণিমা’ নামে অভিহিত করা হয়। এ ছাড়া গৌতমবুদ্ধের জন্ম, মহাপ্রয়াণ ও বোধিলাভ বৈশাখী পূর্ণিমার দিনে হয়েছিল বলে এর অপর নাম বৈশাখী পূর্ণিমা। জাতিসংঘ আজকের দিবসটিকে ‘ডে অব বৈশাখ’ হিসেবে পালন করেন। এই দিনে, বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী, ভক্ত বৃন্দরা ধ্যান, ধর্মগ্রন্থের জপ এবং বৌদ্ধ মন্দির, প্যাগোডা এবং বৌদ্ধ জাদী গুলিতে ফুল ও ধূপ নিবেদন সংঘ দান, বুদ্ধ প্রতিবিম্বদান, শিশু, কিশোর কিশোরী দের জন্য নানান প্রতিযোগীতা, শিক্ষা মূল্যক অনুষ্ঠান, র‌্যালীর মতো সামাজিক, সাংস্কৃতিক ভক্তিমূলক কাজে নিযুক্ত হন। এটি গভীর আত্মদর্শনের সময়, যেহেতু বৌদ্ধরা বুদ্ধের শেখানো সহানুভূতি, অহিংসা এবং মননশীলতার অসংখ্য গুণাবলী অনুকরণ, অনুসরণ করার চেষ্টা করেন।
বুদ্ধ পূর্ণিমা শান্তি ও সম্প্রীতি প্রচারের একটি উপলক্ষ কারণ অনুসারীরা অন্যদের প্রতি দয়া ও করুণা, কুশল কাজ প্রসারিত করে। এটি প্রেম, সহানুভূতি এবং বোঝাপড়ার সার্বজনীন মূল্যবোধের অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে, বিভিন্ন সংস্কৃতি এবং পটভূমির লোকেদের মধ্যে একতা এবং সদিচ্ছার বোধ জাগিয়ে তোলে।
মহামানব গৌতম বুদ্ধ, যিশু খ্রিষ্টের জন্মের ৬০০ বছর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন । ৬২৪ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে নেপালের কপিলাবস্তু এলাকার লুম্বিনী নামক স্থানে জন্ম নিয়েছিলেন। তিনি রাজ ঐসয্য ত্যাগ করে। দীর্ঘ ছয় বছর কঠোর তপস্যার পর ৫৮৯ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে তিনি বুদ্ধত্ব লাভ করেন ভারতের বিহার প্রদেশে গয়ার বোধিবৃক্ষমূলে নিরঞ্জনা নদীর পাশে বর্তমানে বুদ্ধগয়া নামে পরিচিত।
এর পর গৌতম বুদ্ধ সুদীর্ঘ ৪৫ বছর ধর্ম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন। ৫৪৪ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে কুশিনগরের শালবন নামক স্থানে ৮০ বছর বয়সে তিনি (মৃত্যু) মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। বুদ্ধের জন্মের হিসাবকে কেন্দ্র করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বুদ্ধাব্দ বা বছর হিসাব করেন। সে হিসাবে বৈশাখী পূর্ণীমা তিথি থেকে ২৫৭০ বুদ্ধাব্দ গণনা শুরু হবে। দেশ বিদেশের প্রতিটি বুদ্ধ পরিবারে, বিহারে, জাদীতে পেগোডায়, অনেকে যারা অসুস্থ, যারা কারণে বিহারে যেতে পারেন না তারা নিজ বাসায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা এ দিনটিকে ধর্মীয়ভাবগাম্ভির্য্যে পালন করেন। এছাড়াও জাতি সংঘ এ দিনটিকে ‘ডে অব বৈশাখ ‘ নামে অভিহিত করেছেন।





আর্কাইভ