শিরোনাম:
●   পাহাড়ের শান্তিতে বিএনপি সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ : প্রধানমন্ত্রীকে পিসিএনপির অভিনন্দন ●   সারের সংকট না থাকলে থাকলে কৃষকেরা সারের গোডাউন লুট করবে কেন? ●   প্রজ্ঞ্য ও দূরদর্শিতা দিয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে ●   শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে জাতীয় ন্যুনতম মজুরি বোর্ড গঠন করুন ●   নগর পরিকল্পনায় ৪০ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষদের বিবেচনায় রাখুন ●   বেসরকারি খাতের শ্রমিক কর্মচারীদের জন্য অবিলম্বে ন্যায্য মজুরিকাঠামো প্রনয়ণ করুন ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ●   বেকারত্বের অবসান না হলে সামাজিক অস্থিরতা, নৈরাজ্য ও অপরাধ প্রবনতা আরও বৃদ্ধি পাবে ●   মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি ●   পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন ●   ‘সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলার লক্ষে কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহারে গাছের চারা রোপন করেছেন সবুজ চাকমা ●   যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে যৌথভাবে রাঙামাটি–রাজস্থলী রুটে পর্যটকবাহী পিকআপ চলবে ●   মানুষ এখন সরকারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচীর বাস্তবায়ন দেখতে চাইবে ●   ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান রাজনৈতিক নেতৃত্বের মনস্তত্ত্বে ও আচরণে বিশেষ কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি ●   রিকশা শ্রমিক - শ্রমজীবীদের বাঁচার দাবি পূরণ করে সরকারকে শ্রমিকবান্ধব হিসাবে প্রমান করতে হবে ●   রাঙামাটির প্রবেশ মুখে পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৪ : আহত-২ ●   কাউখালীতে যুব দিবস পালিত ●   খাগড়াছড়িতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ‘প্রকৃতি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ●   ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ●   কাপ্তাই লেকে ৩মাস ১৫দিন নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু
ঢাকা, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

Daily Sonar Bangla
বৃহস্পতিবার ● ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয়
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয়
৪৩৪ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ৩০ এপ্রিল ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয়

গৌতম বুদ্ধের প্রধান  তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয় দেবদত্ত মুৎসুদ্দী :: আজ বুদ্ধ পুর্ণিমা মহামানব তথাগত গৌতম বুদ্ধের জন্মদিন বুদ্ধ পূর্ণীমার তাৎপর্য্য সারাবিশ্বের বৌদ্ধ ধর্মাঅবলম্বীদের বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা হল পবিত্রতম একটি ধর্মীয় উৎসব। এই পুণ্যোৎসব বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে উদযাপিত হয়।বৈশাখী পূর্ণিমা দিনটি গৌতম বুদ্ধের ত্রিস্মৃতি বিজড়িত ও ঘটনাবহুল দিবস এটি।
গৌতম বুদ্ধের জীবনের তিনটি প্রধান ঘটনাকে ‘বুদ্ধপূর্ণিমা’ নামে অভিহিত করা হয়। এ ছাড়া গৌতমবুদ্ধের জন্ম, মহাপ্রয়াণ ও বোধিলাভ বৈশাখী পূর্ণিমার দিনে হয়েছিল বলে এর অপর নাম বৈশাখী পূর্ণিমা। জাতিসংঘ আজকের দিবসটিকে ‘ডে অব বৈশাখ’ হিসেবে পালন করেন। এই দিনে, বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী, ভক্ত বৃন্দরা ধ্যান, ধর্মগ্রন্থের জপ এবং বৌদ্ধ মন্দির, প্যাগোডা এবং বৌদ্ধ জাদী গুলিতে ফুল ও ধূপ নিবেদন সংঘ দান, বুদ্ধ প্রতিবিম্বদান, শিশু, কিশোর কিশোরী দের জন্য নানান প্রতিযোগীতা, শিক্ষা মূল্যক অনুষ্ঠান, র‌্যালীর মতো সামাজিক, সাংস্কৃতিক ভক্তিমূলক কাজে নিযুক্ত হন। এটি গভীর আত্মদর্শনের সময়, যেহেতু বৌদ্ধরা বুদ্ধের শেখানো সহানুভূতি, অহিংসা এবং মননশীলতার অসংখ্য গুণাবলী অনুকরণ, অনুসরণ করার চেষ্টা করেন।
বুদ্ধ পূর্ণিমা শান্তি ও সম্প্রীতি প্রচারের একটি উপলক্ষ কারণ অনুসারীরা অন্যদের প্রতি দয়া ও করুণা, কুশল কাজ প্রসারিত করে। এটি প্রেম, সহানুভূতি এবং বোঝাপড়ার সার্বজনীন মূল্যবোধের অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে, বিভিন্ন সংস্কৃতি এবং পটভূমির লোকেদের মধ্যে একতা এবং সদিচ্ছার বোধ জাগিয়ে তোলে।
মহামানব গৌতম বুদ্ধ, যিশু খ্রিষ্টের জন্মের ৬০০ বছর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন । ৬২৪ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে নেপালের কপিলাবস্তু এলাকার লুম্বিনী নামক স্থানে জন্ম নিয়েছিলেন। তিনি রাজ ঐসয্য ত্যাগ করে। দীর্ঘ ছয় বছর কঠোর তপস্যার পর ৫৮৯ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে তিনি বুদ্ধত্ব লাভ করেন ভারতের বিহার প্রদেশে গয়ার বোধিবৃক্ষমূলে নিরঞ্জনা নদীর পাশে বর্তমানে বুদ্ধগয়া নামে পরিচিত।
এর পর গৌতম বুদ্ধ সুদীর্ঘ ৪৫ বছর ধর্ম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন। ৫৪৪ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে কুশিনগরের শালবন নামক স্থানে ৮০ বছর বয়সে তিনি (মৃত্যু) মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। বুদ্ধের জন্মের হিসাবকে কেন্দ্র করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বুদ্ধাব্দ বা বছর হিসাব করেন। সে হিসাবে বৈশাখী পূর্ণীমা তিথি থেকে ২৫৭০ বুদ্ধাব্দ গণনা শুরু হবে। দেশ বিদেশের প্রতিটি বুদ্ধ পরিবারে, বিহারে, জাদীতে পেগোডায়, অনেকে যারা অসুস্থ, যারা কারণে বিহারে যেতে পারেন না তারা নিজ বাসায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা এ দিনটিকে ধর্মীয়ভাবগাম্ভির্য্যে পালন করেন। এছাড়াও জাতি সংঘ এ দিনটিকে ‘ডে অব বৈশাখ ‘ নামে অভিহিত করেছেন।





আর্কাইভ