শিরোনাম:
●   পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ভারতের নির্বাচনী গণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে নিয়ে গেছে ●   শিক্ষকদের মানহানীর প্রতিবাদে ফিশারিজ বিভাগের মানববন্ধন ●   যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের থেকে বিএনপি দূরে সরে যাচ্ছে সাইফুল হক, তিন মাসেই অবিশ্বাস করবেন না : জয়নুল আবদীন ফারুক ●   হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে মা মাছ ●   গাজীপুরের শিমুলতলীতে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন ●   বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে নির্মল বড়ুয়া মিলনের শুভেচ্ছা ●   বিটিকেজি ফেয়ার ২০২৬: টেক্সটাইল প্রযুক্তিতে আধুনিক সমাধান নিয়ে এল টেক্সলিংক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড ●   শ্রমিক বাঁচতে না পারলে উৎপাদনশীলতা কমে যাবে, জাতীয় অর্থনীতির রুগ্নদশা কাটানো যাবেনা ●   স্বাধীন রাজনৈতিক শ্রেণী হিসাবেই শ্রমিকশ্রেণীকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে : বহ্নিশিখা জামালী ●   নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সোলার সরঞ্জামের শুল্ক প্রত্যাহার ও গ্রিড সুবিধার দাবি ওমেরা সিইও-র ●   ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশনই পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ : অমল পোদ্দার ●   গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয় ●   রাঙামাটি শহরের গর্জনতলী গ্রামের রাস্থা এখন মরণ ফাঁদ : জনদুর্ভোগ ●   কুষ্টিয়ার লাহিনী বটতলায় রহস্যজনক বিস্ফোরনে আহত-১ ●   ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিনিধিদের কাছে মাসিক চাঁদা দাবির অভিযোগ ●   রাউজানে লাশ রেখে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়ক অবরোধ ●   গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ●   পরিস্থিতি মোকাবেলায় জনপরিসরে বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে ●   প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসছে : রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ান এমপি ●   ১৫ ঘণ্টা চলার পর বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র আবারও বন্ধ
ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Daily Sonar Bangla
মঙ্গলবার ● ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস
৬৩৬ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস

--- অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন সুজন :: আজ ৯ সেপ্টেম্বর’২৫ ১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বরের এই দিনে লঙ্গদু এবং বাঘাইছড়ি উপজেলার মধ্যবর্তী পাকুয়াখালী নামক স্থানে তৎকালীন শান্তি বাহিনী অত্র অঞ্চলের কাঠ ব্যবসায়ী ও কাঠুরিয়াদের আমন্ত্রণ করেছিল একটি ভোজ সভাই যোগদানের জন্য।
সকল লোকজন যথারীতি সকাল ১০.০০ ঘটিকার মধ্যেই পৌঁছেছিল কিন্তু কি হয়েছিল আমরা জানিনা। দুপুরের পর থেকেই একটা আওয়াজ আমরা পাচ্ছিলাম, তারপরে আমাদের কাছে একমাত্র বেঁচে যাওয়া ইউনূসের মাধ্যমে সংবাদ আসে যে, আমন্ত্রিত সকল কাঠ ব্যবসায়ী ও কাঠুরিয়াদের বর্বরোচিত ভাবে সন্তুলারমার নির্দেশে শান্তি বাহানীরা হত্যা করে।
তারপরেই সেনাবাহিনী বিডিআর যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ঐ পাকুয়াখালি ট্রাজেডি ক্ষতবিক্ষত ভিকটিমদের লাশ উদ্ধার করে।
তৎকালীন সময় লঙ্গদু বাঘাইছড়ি তথা রাঙ্গামাটির আকাশ বাতাস ভারি হয়ে ওঠে সর্বত্র শোকেরছায়া নেমে আসে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালি জনগোষ্ঠী বিহবল হয়ে পড়ে। ক্ষুভে ভয়ে সকল জনগোষ্ঠী আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের ৪ মন্ত্রী লঙ্গদুতে ছুটে আসে। লঙ্গদু-বাঘাইছড়ির লাখো জনতাকে প্রতিশ্রুতি দেয় যে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করবে, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিবে। জনরোষ চাপা দিয়ে মন্ত্রীরা ঢাকায় ফিরে যায় এবং পাকুয়াখালী ট্রাজেডি দিবসের পুরস্কার স্বরূপ ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে পার্বত্যবাসির উপর অসম, অন্যায় ও অযৌক্তিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি চাপিয়ে দেয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠী আবার বিহবল হয়ে পড়ে।
অত্রাঞ্চলের মানুষ বেচে থাকার শেষ আশাটুকু হারিয়ে ফেলে। তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিয়ে ১৯৯৮ সালে বেগম খালেদা জিয়া খাগড়াছড়িতে লংমার্চ করে, অধ্যাপক গোলাম আযম রাঙ্গামাটিতে লংমার্চ করে, ফজলুল হক আমিনী বান্দরবনে লংমার্চ করে সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালি জনগোষ্ঠিকে প্রতিশ্রুতি দেয় যে, চার দলীয় জোট যদি ক্ষমতায় যায় তবে বিতর্কিত অসম পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’৯৭ কালো চুক্তি আখ্যায়িত করে তা বাতিল করা হবে।
২০০১ সালে চার দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে ১৯৯৮ সালে পার্বত্য বাসীকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি বেমালুম ভুলে যায় একের পর এক বিতর্কিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’৯৭ বাস্তবায়ন করতে থাকে।
শুধু তাই নয় ভূষণছড়া গণহত্যার নায়ক মনির স্বপন দেওয়ান ওরফে মেজর রাজেশ কে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয় মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী করা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত বঞ্চিত শোষিত মানুষ আবারও রাজনৈতিক প্রতারণার শিকার হয়।
আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস, এই দিবস থেকে আগামী সরকারকে বলতে চাই পার্বত্য চট্টগ্রাম অসম চুক্তি বাতিল করে পাকুয়াখালী গণহত্যাসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে হবে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল আইনি বৈষম্য দূর করে সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন সুজন,
নির্বাহী পরিচালক DPC
(পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তির জন্য আলোচনা)
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।





আর্কাইভ