শিরোনাম:
●   বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারত সরকার হাসিনা কার্ড খেলছে : সাইফুল হক ●   ঈশ্বরগঞ্জে বাড়ি ঘরে হামলা ভাংচুর হত্যার চেষ্টা ●   কাউখালীতে জুলাই গণ অভ্যুথান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ●   ঝালকাঠিতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় আওয়ামী লীগ নেতার ফুলেল শুভেচ্ছা ●   রাবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের ১২তম সভা অনুষ্ঠিত ●   রাঙামাটির কল্যাণপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে দুই দোকান পুড়ে ছাই ●   রাঙামাটিতে “ফিরে দেখা রক্তঝরা জুলাই-আগস্ট প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি শীর্ষক “কথকতা” অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ●   পর্যটন খাতকে টেকসই ও অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে : পর্যটন মন্ত্রী ●   ঈশ্বরগঞ্জে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ ●   অহেতুক প্রকল্প নয়, পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর ●   তাহসিনা রুশদীর লুনা এমপি’র সা‌থে ট্রাস্টিবৃন্দের সাক্ষাৎ ●   নির্যাতন এবং এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ : খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ●   পার্বত্য চট্টগ্রামে মা-শিশুর পুষ্টি ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে সমন্বিত প্রকল্প ●   রাঙামাটিতে চাঁদার দাবিতে ফলন্ত বাগান কেটে দেওয়ায় নিন্দা জানিয়েছে পিসিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি ●   রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আলীকদম উপজেলা কমিটি গঠন ●   গণঅভ্যুত্থানে নারীর ঐতিহাসিক অবদানকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিন ●   কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায় ●   জননেতা সাইফুল হকের ৭০তম জন্মবার্ষিকীতে ‘সাইফুল হক: যে জীবন মানুষের তরে’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ●   আত্রাইয়ে স্কুলছাত্রীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ
ঢাকা, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

Daily Sonar Bangla
মঙ্গলবার ● ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস
৮১৪ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস

--- অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন সুজন :: আজ ৯ সেপ্টেম্বর’২৫ ১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বরের এই দিনে লঙ্গদু এবং বাঘাইছড়ি উপজেলার মধ্যবর্তী পাকুয়াখালী নামক স্থানে তৎকালীন শান্তি বাহিনী অত্র অঞ্চলের কাঠ ব্যবসায়ী ও কাঠুরিয়াদের আমন্ত্রণ করেছিল একটি ভোজ সভাই যোগদানের জন্য।
সকল লোকজন যথারীতি সকাল ১০.০০ ঘটিকার মধ্যেই পৌঁছেছিল কিন্তু কি হয়েছিল আমরা জানিনা। দুপুরের পর থেকেই একটা আওয়াজ আমরা পাচ্ছিলাম, তারপরে আমাদের কাছে একমাত্র বেঁচে যাওয়া ইউনূসের মাধ্যমে সংবাদ আসে যে, আমন্ত্রিত সকল কাঠ ব্যবসায়ী ও কাঠুরিয়াদের বর্বরোচিত ভাবে সন্তুলারমার নির্দেশে শান্তি বাহানীরা হত্যা করে।
তারপরেই সেনাবাহিনী বিডিআর যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ঐ পাকুয়াখালি ট্রাজেডি ক্ষতবিক্ষত ভিকটিমদের লাশ উদ্ধার করে।
তৎকালীন সময় লঙ্গদু বাঘাইছড়ি তথা রাঙ্গামাটির আকাশ বাতাস ভারি হয়ে ওঠে সর্বত্র শোকেরছায়া নেমে আসে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালি জনগোষ্ঠী বিহবল হয়ে পড়ে। ক্ষুভে ভয়ে সকল জনগোষ্ঠী আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের ৪ মন্ত্রী লঙ্গদুতে ছুটে আসে। লঙ্গদু-বাঘাইছড়ির লাখো জনতাকে প্রতিশ্রুতি দেয় যে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করবে, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিবে। জনরোষ চাপা দিয়ে মন্ত্রীরা ঢাকায় ফিরে যায় এবং পাকুয়াখালী ট্রাজেডি দিবসের পুরস্কার স্বরূপ ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে পার্বত্যবাসির উপর অসম, অন্যায় ও অযৌক্তিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি চাপিয়ে দেয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠী আবার বিহবল হয়ে পড়ে।
অত্রাঞ্চলের মানুষ বেচে থাকার শেষ আশাটুকু হারিয়ে ফেলে। তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিয়ে ১৯৯৮ সালে বেগম খালেদা জিয়া খাগড়াছড়িতে লংমার্চ করে, অধ্যাপক গোলাম আযম রাঙ্গামাটিতে লংমার্চ করে, ফজলুল হক আমিনী বান্দরবনে লংমার্চ করে সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালি জনগোষ্ঠিকে প্রতিশ্রুতি দেয় যে, চার দলীয় জোট যদি ক্ষমতায় যায় তবে বিতর্কিত অসম পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’৯৭ কালো চুক্তি আখ্যায়িত করে তা বাতিল করা হবে।
২০০১ সালে চার দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে ১৯৯৮ সালে পার্বত্য বাসীকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি বেমালুম ভুলে যায় একের পর এক বিতর্কিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’৯৭ বাস্তবায়ন করতে থাকে।
শুধু তাই নয় ভূষণছড়া গণহত্যার নায়ক মনির স্বপন দেওয়ান ওরফে মেজর রাজেশ কে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয় মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী করা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত বঞ্চিত শোষিত মানুষ আবারও রাজনৈতিক প্রতারণার শিকার হয়।
আজ ঐতিহাসিক পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস, এই দিবস থেকে আগামী সরকারকে বলতে চাই পার্বত্য চট্টগ্রাম অসম চুক্তি বাতিল করে পাকুয়াখালী গণহত্যাসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে হবে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল আইনি বৈষম্য দূর করে সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন সুজন,
নির্বাহী পরিচালক DPC
(পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তির জন্য আলোচনা)
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।





আর্কাইভ