শিরোনাম:
●   খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন ●   প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে জননেতা সাইফুল হকের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ●   ১১ জানুয়ারী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে জননেতা সাইফুল হক ●   বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠিত ●   বিশ্বাসযোগ্য সুষ্ট-নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে রিটার্নিং অফিসার নাজমা আশরাফীকে ২৪ ঘন্টার ভিতর রাঙামাটি থেকে প্রত্যাহারের দাবি ●   তারেক রহমানের সাথে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ●   প্রার্থী, ভোটার ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে ●   বাংলাদেশের নারী শিক্ষা উন্নয়নে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম : জুঁই চাকমা ●   রাঙামাটি-২৯৯ আসনে জুঁই চাকমার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা ●   বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক ●   সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির শোক ●   রাঙামাটি জেলাবাসির সুখ-শান্তি কামনায় রাজবন বিহারে জুঁই চাকমা পূণ্যানুষ্ঠান ●   রাঙামাটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জুঁই চাকমা রিটার্নিং অফিসারের নিকট মনোনয়ন জমা ●   দলীয় মনোনয়ন হাতে পেলেন রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জুঁই চাকমা ●   রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বিবেচনায় না নিয়ে দূর্বৃত্ত সন্ত্রাসীসের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নিন ●   ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে দুই পত্রিকা অফিসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে ●   নিউএজ সম্পাদক নূরুল কবীরের উপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের মূখপাত্র নির্মল বড়ুয়া মিলনের জন্মদিনে বড়ুয়া নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা ●   নির্বাচন ও গণভোট বানচালে নানা অপতৎপরতা চলছে ●   রাঙামাটিতে দৈনিক সবুজ বাংলার তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

Daily Sonar Bangla
সোমবার ● ৬ অক্টোবর ২০২৫
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
৪৪৬ বার পঠিত
সোমবার ● ৬ অক্টোবর ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

--- দেবদত্ত মুৎসুদ্দী গোপাল :: সারাবিশ্বের সকল প্রাণিকে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে জানাই প্রবারণা পূর্ণিমার মৈত্রীময় প্রীতি ও শুভেচ্ছা। কালের অনন্ত প্রবাহে দিন আসে দিন যায়। তেমনি বর্ষ পরিক্রমায় প্রতি বছর নতুন- নতুন্নত হয়ে ফিরে আসে। বিশ্বের সকল বৌদ্ধ অনুষারিদের জীবনে। প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অতিব গুরুত্ব একটি বিশেষ দিন। ।প্রবারণা পূর্ণিমা পালিত হয় মূলত দুটি কারণে: প্রথমত, এটি বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিন মাসের বর্ষাবাস বা বর্ষাবাস ব্রতের সমাপ্তি এবং এই সময়ে সংঘটিত ভুলত্রুটি ক্ষমা চাওয়ার পবিত্র দিন। দ্বিতীয়ত, এটি ভগবান গৌতম বুদ্ধ কর্তৃক তাবতিংস স্বর্গে দেবলোকে গিয়ে পরলোক গত গর্ভধারিনী মা-কে ধর্মদেশনা শেষে পৃথিবীতে অবতরণের স্মরণে উদযাপিত হয়, যা বৌদ্ধদের কাছে এক গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক ঘটনা।

বৌদ্ধ ভিক্ষুরা আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিন পূর্ণিমা পর্যন্ত প্রায় তিন মাস নিজেদের বিহারে অবস্থান করেন এবং আত্মশুদ্ধি ও ধর্মচর্চায় মগ্ন থাকেন।
এই তিন মাস শেষে প্রবারণা পূর্ণিমায় ভিক্ষুরা একটি যৌথ সভায় মিলিত হন। সেখানে তারা একে অপরের সামনে নিজেদের দোষত্রুটি বা ভুল স্বীকার করেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
প্রবারণা শব্দের অর্থ হলো ‘প্রকৃষ্টরূপে বরণ করা’ এবং ‘নিষেধ করা’। অর্থাৎ, ভালো ও কুশল কাজগুলো বরণ করা এবং মন্দ কাজগুলো থেকে বিরত থাকা। এটি আত্মশুদ্ধি ও পরিশুদ্ধতা অর্জনের একটি প্রক্রিয়া।

বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী, ভগবান গৌতম বুদ্ধ ‘বুদ্ধত্ব’ লাভের পর দেবলোকে গিয়ে তার মা-কে ধর্মদেশনা করেছিলেন এবং এই প্রবারণা পূর্ণিমার দিনই তিনি মর্ত্যে বা পৃথিবীতে অবতরণ করেন।
এই বিশেষ ঘটনাকে স্মরণ করতে এবং বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনুসারি শ্রামন, ভিক্ষু, মেসিলা, দায়ক-দায়িকা,উপাসক-উপাসিকা সকলে মনের আনন্দে স্নানে নিজেকে পবিত্র হয়ে নিজেকে যথা সাধ্য পরিপাটি করে। নিজ নিজ এলাকায় অথবা পছন্দ অনুযায়ী বিহারে গিয়ে সম্মিলিত প্রার্থনা, পঞ্চশীল,অষ্টশীল গ্রহন সংঘদান,অষ্টপরিস্কারদান,বুদ্ধ বিম্ব দান, প্রাণি অবমুক্ত সহ নানান সামাজিক কুশল কার্য কর্মের মাধ্যমে পূর্ণকর্ম সম্পাদন করেন এবং একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন সামাজিক বন্ধন মজবুত করেন । সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজলন, হাজার বাতিদান, বৈকালিক পানিয়দান, এবং বিশেষ আকর্ষণ নানা রংএর আকাশ প্রদীপ ফানুস উত্তোলন করেন অতি আনন্দের সাথে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর, কিশোরী বৃদ্ধ অংশগ্রহণ করে প্রচুর আনন্দ উপভোগ করেন। যা এখন বিশ্বে সকলের সমাদৃত হয়েছে। এই মহান দিনে বাংলাদেশী সকল বৌদ্ধদের সরকারের নিকট অনেক দিনের দাবি ছিল এক দিনের ছুটি ঘোষণা করা। কিন্তু যুগ যুগ পেরিয়ে গেলেও সেই আশা বৌদ্ধদের পূরণ হয়নি।





আর্কাইভ