শনিবার ● ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রথম পাতা » এপার বাংলা ওপার বাংলা » সংসদের শোকপ্রস্তাব থেকে অবিলম্বে যুদ্ধাপরাধীদের নাম প্রত্যাহার করুন
সংসদের শোকপ্রস্তাব থেকে অবিলম্বে যুদ্ধাপরাধীদের নাম প্রত্যাহার করুন
আজ ১৪ মার্চ ২০২৬, শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে বিপ্লবী যুব সংহতির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক বাবর চৌধুরী এবং সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত শোক প্রস্তাবে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ও দন্ডপ্রাপ্তদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতীয় সংসদের মতো সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে একাত্তরের ঘাতক-দালাল ও চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের রাষ্ট্রীয় শোকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা এবং বাংলাদেশের চেতনার বিরুদ্ধাচারণ । বাংলাদেশের সচেতন জনগণ এ ধরনের পদক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
তারা বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নটি বাংলাদেশের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। এই দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রাম করে এসেছে। বিগত সময়ের শাসনামলে যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ফরমায়েশী রায় নিয়ে নানা আইনি প্রশ্ন ও বিতর্ক থাকলেও ১৯৭১ সালে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা, নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ঐতিহাসিক সত্য কোনোভাবেই অস্বীকার করা যায় না। সেই অপরাধের দায় ইতিহাসে সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ছিল একটি ন্যায়বিচারভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা থেকে উৎসারিত গণআন্দোলন। সেই অভ্যুত্থানের পর গঠিত নতুন সংসদে যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি এমন নমনীয়তা প্রদর্শন করা জুলাইয়ের শহীদদের স্বপ্ন ও আত্মত্যাগের সঙ্গেও প্রতারণার শামিল। প্রকৃত জাতীয় পুনর্গঠন তখনই সম্ভব, যখন ১৯৭১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সংঘটিত সকল গণহত্যা, হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করা হবে।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের নাম প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ সকল অপরাধের সুষ্ঠু ও ন্যায়সংগত বিচারের জন্য রাষ্ট্রের প্রতি জোর দাবি জানান।




গোলাপগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদের বাজার
যে কোন চেহারার মব সন্ত্রাস পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে
সকল উন্নয়ন মূলক কাজে বিএনপির সাথে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পথ দীর্ঘ হবে : জুঁই চাকমা
ভাষা শহীদেরা আমাদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের জমিন তৈরী করে দিয়েছিল
রাঙামাটিতে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধাঞ্জলী
জুঁই চাকমা’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
জুঁই চাকমার নির্বাচনী ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ
আমি প্রতিহিংসার রাজনীতি করিনা : জুঁই চাকমা
বেতবুনিয়াতে জুঁই চাকমার জনসংযোগ 