শিরোনাম:
●   হামে শিশুর মৃত্যুর দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনুন ●   বিশ্বশান্তি-শোভাযাত্রা ও জাতীয় বৌদ্ধ মহাসম্মেলনে পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান প্রধান অতিথি থাকার সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন ●   বাঙ্গালী বৌদ্ধ পরিচয় দিয়ে বড়ুয়াদের বাঙ্গালী কোটায় ফেলে দেয়, আবার বাঙ্গালীরা বলেন, তোমরা বৌদ্ধ, উপজাতি কোটায় তোমরা ●   পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ভারতের নির্বাচনী গণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে নিয়ে গেছে ●   শিক্ষকদের মানহানীর প্রতিবাদে ফিশারিজ বিভাগের মানববন্ধন ●   যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের থেকে বিএনপি দূরে সরে যাচ্ছে সাইফুল হক, তিন মাসেই অবিশ্বাস করবেন না : জয়নুল আবদীন ফারুক ●   হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে মা মাছ ●   গাজীপুরের শিমুলতলীতে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন ●   বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে নির্মল বড়ুয়া মিলনের শুভেচ্ছা ●   বিটিকেজি ফেয়ার ২০২৬: টেক্সটাইল প্রযুক্তিতে আধুনিক সমাধান নিয়ে এল টেক্সলিংক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড ●   শ্রমিক বাঁচতে না পারলে উৎপাদনশীলতা কমে যাবে, জাতীয় অর্থনীতির রুগ্নদশা কাটানো যাবেনা ●   স্বাধীন রাজনৈতিক শ্রেণী হিসাবেই শ্রমিকশ্রেণীকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে : বহ্নিশিখা জামালী ●   নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সোলার সরঞ্জামের শুল্ক প্রত্যাহার ও গ্রিড সুবিধার দাবি ওমেরা সিইও-র ●   ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশনই পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ : অমল পোদ্দার ●   গৌতম বুদ্ধের প্রধান তিনটি ঘটনাকে বুদ্ধ পূণিমা অভিহিত করা হয় ●   রাঙামাটি শহরের গর্জনতলী গ্রামের রাস্থা এখন মরণ ফাঁদ : জনদুর্ভোগ ●   কুষ্টিয়ার লাহিনী বটতলায় রহস্যজনক বিস্ফোরনে আহত-১ ●   ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিনিধিদের কাছে মাসিক চাঁদা দাবির অভিযোগ ●   রাউজানে লাশ রেখে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়ক অবরোধ ●   গ্রেটার দেউলগ্রাম ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Daily Sonar Bangla
সোমবার ● ৬ অক্টোবর ২০২৫
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
৭৮৬ বার পঠিত
সোমবার ● ৬ অক্টোবর ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

--- দেবদত্ত মুৎসুদ্দী গোপাল :: সারাবিশ্বের সকল প্রাণিকে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে জানাই প্রবারণা পূর্ণিমার মৈত্রীময় প্রীতি ও শুভেচ্ছা। কালের অনন্ত প্রবাহে দিন আসে দিন যায়। তেমনি বর্ষ পরিক্রমায় প্রতি বছর নতুন- নতুন্নত হয়ে ফিরে আসে। বিশ্বের সকল বৌদ্ধ অনুষারিদের জীবনে। প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অতিব গুরুত্ব একটি বিশেষ দিন। ।প্রবারণা পূর্ণিমা পালিত হয় মূলত দুটি কারণে: প্রথমত, এটি বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিন মাসের বর্ষাবাস বা বর্ষাবাস ব্রতের সমাপ্তি এবং এই সময়ে সংঘটিত ভুলত্রুটি ক্ষমা চাওয়ার পবিত্র দিন। দ্বিতীয়ত, এটি ভগবান গৌতম বুদ্ধ কর্তৃক তাবতিংস স্বর্গে দেবলোকে গিয়ে পরলোক গত গর্ভধারিনী মা-কে ধর্মদেশনা শেষে পৃথিবীতে অবতরণের স্মরণে উদযাপিত হয়, যা বৌদ্ধদের কাছে এক গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক ঘটনা।

বৌদ্ধ ভিক্ষুরা আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিন পূর্ণিমা পর্যন্ত প্রায় তিন মাস নিজেদের বিহারে অবস্থান করেন এবং আত্মশুদ্ধি ও ধর্মচর্চায় মগ্ন থাকেন।
এই তিন মাস শেষে প্রবারণা পূর্ণিমায় ভিক্ষুরা একটি যৌথ সভায় মিলিত হন। সেখানে তারা একে অপরের সামনে নিজেদের দোষত্রুটি বা ভুল স্বীকার করেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
প্রবারণা শব্দের অর্থ হলো ‘প্রকৃষ্টরূপে বরণ করা’ এবং ‘নিষেধ করা’। অর্থাৎ, ভালো ও কুশল কাজগুলো বরণ করা এবং মন্দ কাজগুলো থেকে বিরত থাকা। এটি আত্মশুদ্ধি ও পরিশুদ্ধতা অর্জনের একটি প্রক্রিয়া।

বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী, ভগবান গৌতম বুদ্ধ ‘বুদ্ধত্ব’ লাভের পর দেবলোকে গিয়ে তার মা-কে ধর্মদেশনা করেছিলেন এবং এই প্রবারণা পূর্ণিমার দিনই তিনি মর্ত্যে বা পৃথিবীতে অবতরণ করেন।
এই বিশেষ ঘটনাকে স্মরণ করতে এবং বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনুসারি শ্রামন, ভিক্ষু, মেসিলা, দায়ক-দায়িকা,উপাসক-উপাসিকা সকলে মনের আনন্দে স্নানে নিজেকে পবিত্র হয়ে নিজেকে যথা সাধ্য পরিপাটি করে। নিজ নিজ এলাকায় অথবা পছন্দ অনুযায়ী বিহারে গিয়ে সম্মিলিত প্রার্থনা, পঞ্চশীল,অষ্টশীল গ্রহন সংঘদান,অষ্টপরিস্কারদান,বুদ্ধ বিম্ব দান, প্রাণি অবমুক্ত সহ নানান সামাজিক কুশল কার্য কর্মের মাধ্যমে পূর্ণকর্ম সম্পাদন করেন এবং একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন সামাজিক বন্ধন মজবুত করেন । সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজলন, হাজার বাতিদান, বৈকালিক পানিয়দান, এবং বিশেষ আকর্ষণ নানা রংএর আকাশ প্রদীপ ফানুস উত্তোলন করেন অতি আনন্দের সাথে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর, কিশোরী বৃদ্ধ অংশগ্রহণ করে প্রচুর আনন্দ উপভোগ করেন। যা এখন বিশ্বে সকলের সমাদৃত হয়েছে। এই মহান দিনে বাংলাদেশী সকল বৌদ্ধদের সরকারের নিকট অনেক দিনের দাবি ছিল এক দিনের ছুটি ঘোষণা করা। কিন্তু যুগ যুগ পেরিয়ে গেলেও সেই আশা বৌদ্ধদের পূরণ হয়নি।





আর্কাইভ