শিরোনাম:
●   বেকারত্বের অবসান না হলে সামাজিক অস্থিরতা, নৈরাজ্য ও অপরাধ প্রবনতা আরও বৃদ্ধি পাবে ●   মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি ●   পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন ●   ‘সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলার লক্ষে কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহারে গাছের চারা রোপন করেছেন সবুজ চাকমা ●   যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে যৌথভাবে রাঙামাটি–রাজস্থলী রুটে পর্যটকবাহী পিকআপ চলবে ●   মানুষ এখন সরকারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচীর বাস্তবায়ন দেখতে চাইবে ●   ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান রাজনৈতিক নেতৃত্বের মনস্তত্ত্বে ও আচরণে বিশেষ কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি ●   রিকশা শ্রমিক - শ্রমজীবীদের বাঁচার দাবি পূরণ করে সরকারকে শ্রমিকবান্ধব হিসাবে প্রমান করতে হবে ●   রাঙামাটির প্রবেশ মুখে পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৪ : আহত-২ ●   কাউখালীতে যুব দিবস পালিত ●   খাগড়াছড়িতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ‘প্রকৃতি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ●   ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ●   কাপ্তাই লেকে ৩মাস ১৫দিন নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু ●   আইসিটি মামলায় রাঙামাটিতে সাংবাদিকসহ ২ জনকে আটক করেছে ডিবি ●   বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারত সরকার হাসিনা কার্ড খেলছে : সাইফুল হক ●   ঈশ্বরগঞ্জে বাড়ি ঘরে হামলা ভাংচুর হত্যার চেষ্টা ●   কাউখালীতে জুলাই গণ অভ্যুথান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ●   ঝালকাঠিতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় আওয়ামী লীগ নেতার ফুলেল শুভেচ্ছা ●   রাবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের ১২তম সভা অনুষ্ঠিত ●   রাঙামাটির কল্যাণপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে দুই দোকান পুড়ে ছাই
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

Daily Sonar Bangla
সোমবার ● ৬ অক্টোবর ২০২৫
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
৯৮৩ বার পঠিত
সোমবার ● ৬ অক্টোবর ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

--- দেবদত্ত মুৎসুদ্দী গোপাল :: সারাবিশ্বের সকল প্রাণিকে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে জানাই প্রবারণা পূর্ণিমার মৈত্রীময় প্রীতি ও শুভেচ্ছা। কালের অনন্ত প্রবাহে দিন আসে দিন যায়। তেমনি বর্ষ পরিক্রমায় প্রতি বছর নতুন- নতুন্নত হয়ে ফিরে আসে। বিশ্বের সকল বৌদ্ধ অনুষারিদের জীবনে। প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অতিব গুরুত্ব একটি বিশেষ দিন। ।প্রবারণা পূর্ণিমা পালিত হয় মূলত দুটি কারণে: প্রথমত, এটি বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিন মাসের বর্ষাবাস বা বর্ষাবাস ব্রতের সমাপ্তি এবং এই সময়ে সংঘটিত ভুলত্রুটি ক্ষমা চাওয়ার পবিত্র দিন। দ্বিতীয়ত, এটি ভগবান গৌতম বুদ্ধ কর্তৃক তাবতিংস স্বর্গে দেবলোকে গিয়ে পরলোক গত গর্ভধারিনী মা-কে ধর্মদেশনা শেষে পৃথিবীতে অবতরণের স্মরণে উদযাপিত হয়, যা বৌদ্ধদের কাছে এক গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক ঘটনা।

বৌদ্ধ ভিক্ষুরা আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিন পূর্ণিমা পর্যন্ত প্রায় তিন মাস নিজেদের বিহারে অবস্থান করেন এবং আত্মশুদ্ধি ও ধর্মচর্চায় মগ্ন থাকেন।
এই তিন মাস শেষে প্রবারণা পূর্ণিমায় ভিক্ষুরা একটি যৌথ সভায় মিলিত হন। সেখানে তারা একে অপরের সামনে নিজেদের দোষত্রুটি বা ভুল স্বীকার করেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
প্রবারণা শব্দের অর্থ হলো ‘প্রকৃষ্টরূপে বরণ করা’ এবং ‘নিষেধ করা’। অর্থাৎ, ভালো ও কুশল কাজগুলো বরণ করা এবং মন্দ কাজগুলো থেকে বিরত থাকা। এটি আত্মশুদ্ধি ও পরিশুদ্ধতা অর্জনের একটি প্রক্রিয়া।

বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী, ভগবান গৌতম বুদ্ধ ‘বুদ্ধত্ব’ লাভের পর দেবলোকে গিয়ে তার মা-কে ধর্মদেশনা করেছিলেন এবং এই প্রবারণা পূর্ণিমার দিনই তিনি মর্ত্যে বা পৃথিবীতে অবতরণ করেন।
এই বিশেষ ঘটনাকে স্মরণ করতে এবং বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনুসারি শ্রামন, ভিক্ষু, মেসিলা, দায়ক-দায়িকা,উপাসক-উপাসিকা সকলে মনের আনন্দে স্নানে নিজেকে পবিত্র হয়ে নিজেকে যথা সাধ্য পরিপাটি করে। নিজ নিজ এলাকায় অথবা পছন্দ অনুযায়ী বিহারে গিয়ে সম্মিলিত প্রার্থনা, পঞ্চশীল,অষ্টশীল গ্রহন সংঘদান,অষ্টপরিস্কারদান,বুদ্ধ বিম্ব দান, প্রাণি অবমুক্ত সহ নানান সামাজিক কুশল কার্য কর্মের মাধ্যমে পূর্ণকর্ম সম্পাদন করেন এবং একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন সামাজিক বন্ধন মজবুত করেন । সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজলন, হাজার বাতিদান, বৈকালিক পানিয়দান, এবং বিশেষ আকর্ষণ নানা রংএর আকাশ প্রদীপ ফানুস উত্তোলন করেন অতি আনন্দের সাথে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর, কিশোরী বৃদ্ধ অংশগ্রহণ করে প্রচুর আনন্দ উপভোগ করেন। যা এখন বিশ্বে সকলের সমাদৃত হয়েছে। এই মহান দিনে বাংলাদেশী সকল বৌদ্ধদের সরকারের নিকট অনেক দিনের দাবি ছিল এক দিনের ছুটি ঘোষণা করা। কিন্তু যুগ যুগ পেরিয়ে গেলেও সেই আশা বৌদ্ধদের পূরণ হয়নি।





আর্কাইভ