বুধবার ● ৪ মার্চ ২০২৬
প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » রাঙামাটিতে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা সেলিম এর বিরুদ্ধে ওএমএস খাদ্য বিক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ
রাঙামাটিতে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা সেলিম এর বিরুদ্ধে ওএমএস খাদ্য বিক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার :: রাঙামাটিতে ওএমএস আটা বিক্রয়ে ভুয়া রেজিষ্টেশন, মজুদ গরমিল, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার যোগসাযোগে ডিলার-মিলার মিলে দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ ভর্তুকির টাকা লোপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, রাঙামাটি পৌর এলাকার ০৯টি ওয়ার্ডে ১২টি স্থানে পরিচালিত ওএমএস (Open Market Sale) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তৎমধ্যে ভেদ ভেদী, রাঙামাটি ষ্টেডিয়াম, আলম ডর্কইয়াড, আসামবস্তী এলাকায় ওএমএস এর খাদ্য (আটা) বিক্রয়ে অনিয়ম করা হচ্ছে।
অনুসন্ধানকালিন একই ব্যক্তির আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে ভোক্তাদের ভুয়া নাম রেজিস্টার, গুদামে (স্টক) মজুদে গরমিল এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সমুহের মধ্য কাগজপত্রে প্রতিদিন ১ (এক) টন (২০ বস্তা) আটা বিক্রির হিসাব দেখানো হলেও বাস্তবে (১০ বস্তা) বিক্রি করা হয়।
সপ্তাহে ৫দিন ২শত জন ভোক্তার পরিবর্তে ৮০-১শত জনের নিকট বিক্রি করা হয় মাত্র।
প্রতিদিন অবশিষ্ট (১০ বস্তা আটা) ডিলার পয়েন্টে থেকে যাওয়ার পরও রেজিস্টারে “স্টক শূন্য” দেখানো হয়।
একটি সংস্থার তদন্তে জানা গেছে, ডিলারের রেজিস্টার খাতা যাচাই করে দেখা গেছে, ভুয়া নাম, টিপসই সংযোজনের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে খাদ্য পণ্য বিক্রির হিসাব প্রদর্শন করা হচ্ছে।
প্রতিটি পয়েন্টের ট্যাগ অফিসারগণ প্রকৃত স্টক যাচাই-বাচাই ব্যতিরেকে কেবলমাত্র কাগুজে হিসাবের ভিত্তিতে স্বাক্ষর প্রদান করে নিজেদের দায় সারেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
রাঙামাটি শহরের প্রতিটি ডিলার দোকান সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা রাখার সরকারি নিদের্শনা থাকা সত্বেও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ডিলাররা তাদের দোকান বেলা ১২ টার মধ্যে বন্ধ করে দেয় এবং ভোক্তাদের সাথে অপমানজনক অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে প্রায় ভোক্তাদের অভিযোগ।
প্রতিবেদক অনুসন্ধানকালিন ভোক্তাদের বেশ কিছু মতামত পাওয়া গেছে, তাদের দাবি সমুহ : প্রতিদিন প্রতিটি ডিলার পয়েন্টে প্রকৃত বরাদ্দ ও সরবরাহকৃত আটা পরিমাণ প্রকাশ করা হয় না, ভোক্তার স্বার্থে তা যেন প্রকাশ করা হয়। মিল হতে সরবরাহের চালানপত্র ও ডিলারের গুদাম স্টক রেজিস্টার রাখা।
উপজেলার সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসারদের দায়িত্বকাল, উপস্থিতি ও স্বাক্ষর যাচাই করার জন্য জেলা প্রশাসকের তদারকি প্রয়োজন। বিগত ৬ মাসের পরিদর্শন প্রতিবেদন যাচাই করার দাবি জানান ভোক্তারা। রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ ভোক্তাদের নাম ও স্বাক্ষর/ টিপসই-এর সত্যতা যাচাই অতিব প্রয়োজন। কম সরবরাহকৃত ওএমএস খাদ্য (আটা) সরকারি হিসাবে কীভাবে সমন্বয় করা হয় তা তথ্য অধিকার আইনে গণমাধ্যমে প্রকাশ করা। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, ভোক্তা ও গণমাধ্যম কর্মীদের চোখ ফাকি দেয়ার জন্য প্রতি ডিলারের দোকানে বসানো সিসি ক্যামেরা সচল রাখা আবশ্যক।
এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, জেলা-উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার যোগসাযোগে ডিলার-মিলার মিলে রাঙামাটি শহরে প্রতিদিন ১ লক্ষ ৫০ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা সরকারি ভর্তুকির খাদ্যসামগ্রী উভয়ে মিলে আত্মসাৎ করছেন।
এবিষয়ে রাঙামাটি জজ কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবি বলেন, সরকারি ভর্তুকির টাকা আত্মসাৎ করা মানি দুর্নীতি করা যাহা ফৌজদারি অপরাধ।
রাঙামাটিতে ওএমএস আটা বিক্রয়ে ভুয়া রেজিষ্টেশন, মজুদ গরমিল, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার যোগ সাযোগে ডিলার-মিলার মিলে দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ ভর্তুকির টাকা লোপাট করার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা জানতে অনুসন্ধানকারী প্রতিবেদক রাঙামাটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ভাপ্তাঃ) সেলিম মাহমুদ সাগর এর সাথে দেখা করতে গেলে রাঙামাটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা তার অফিসের কনফারেন্স রুমে ২০ মিনিট বসিয়ে রাখার পর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ভাপ্তাঃ) সেলিম মাহমুদ সাগর কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে গোপনে অফিস থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিলে প্রতিবেদকসহ বেশ কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী তাকে ঘিরে ধরেন। এক পর্যয়ে সেলিম মাহমুদ সাগর পূর্ণরায় তার চেম্বারে প্রবেশ করে তার রুম ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়।
এর পর রাঙামাটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ভাপ্তাঃ) সেলিম মাহমুদ সাগর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ না করায় রাঙামাটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার কোন মতামত পাওয়া যায়নি।
ওএমএস আটা বিক্রয়ে ভুয়া রেজিষ্টেশন, মজুদ গরমিল, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার যোগসাযোগে ডিলার-মিলার মিলে দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ ভর্তুকির টাকা লোপাট করার অভিযোগের সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ভাপ্তাঃ) সেলিম মাহমুদ সাগরের হয়ে ক্ষমতাসীন দলের গুটিকয়েক দলীয় নেতা বিভিন্নভাবে প্রতিবেদক এর প্রাণ নাশের হুমকি প্রদানের অভিযোগ রয়েছে।
অভিজ্ঞ মহলের ধারণা রাঙামাটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ভাপ্তাঃ) সেলিম মাহমুদ সাগর গণমাধ্যম কর্মীদের এড়িয়ে চলার অর্থ সরিষার মধ্যে ভূত রয়েছে।
রাঙামাটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ভাপ্তাঃ) সেলিম মাহমুদ সাগর একজন সরকারি কর্মকর্তা দলীয় নেতার মত করে তার দায় এড়াতে পারেন না।




মার্কিন - ইজরায়েল অশুভ জোট সারা দুনিয়াকে বৃদ্ধাংগুলী দেখিয়ে চলেছে
নারীকে জনসম্পদে রূপান্তর ছাড়া জাতীয় প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয় : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
পার্বত্য জেলা পরিষদ নিয়ে পার্বত্য মন্ত্রীর বক্তব্য ভূল উপস্থাপন করায় প্রতিবাদ
বিপ্লবী কমরেড হাবিবুর রহমান আঙ্গুর আর নেই
রাঙামাটিতে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী পরাগ বড়ুয়া বহাল তবিয়তে
যে কোন চেহারার মব সন্ত্রাস পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে
সকল উন্নয়ন মূলক কাজে বিএনপির সাথে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পথ দীর্ঘ হবে : জুঁই চাকমা
সময় তারেক রহমানের উপর এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব অর্পণ করেছে
ভাষা শহীদেরা আমাদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের জমিন তৈরী করে দিয়েছিল 