শিরোনাম:
●   আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ (রহঃ) মাজার জিয়ারতে দোয়ারাবাজারের নেতৃবৃন্দের সংক্ষিপ্ত সফর ●   সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন জীবা আমিনা খান ●   তামাক ব্যবহার কমাতে ও রাজস্ব বাড়াতে তিন প্রস্তাব ●   সবার আগে বাংলাদেশ, দেশের স্বার্থকে সমুন্নত রেখে কাজ করতে হবে : ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন এমপি ●   নবীগঞ্জে সরকারী জমি নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত-১ : আহত-২০ ●   রাঙামাটিতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স ●   নানিয়ারচর সেনাবাহিনীর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী উপহার ●   রাঙ্গুনিয়ায় ৮০০ কৃষক পেল বিনামূল্যে আউশ বীজ ও সার বিতরণ ●   জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ক্ষোভ ও প্রতিবাদ ●   ঈশ্বরগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন : উপস্থিতির হার ৬২ শতাংশ ●   কাউখালীতে সাংগ্রাই উপলক্ষে জল উৎসব ●   গাজীপুরে বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ●   রাঙ্গুনিয়ায় পৃথক তিন ঘটনায় ৩ নারী গ্রেফতার ●   ঈশ্বরগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ●   ১৯৭১ এর ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের প্রতি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণগঠন : রাঙামাটি জেলাসহ ৪ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা ●   খাদ্যপ্যাকেটে ‘ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং’ চালুর দাবি ●   আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ ●   বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ নাজিম উদ্দিনের মৃত্যুতে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশনের শোক প্রকাশ ●   পার্বতীপুর অয়েল ডিপো পরিদর্শনে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের তিন এমডি
ঢাকা, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

Daily Sonar Bangla
বৃহস্পতিবার ● ৭ মার্চ ২০২৪
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমঅধিকার ছাড়া নারীর মুক্তি নেই : বহ্নিশিখা জামালী
প্রথম পাতা » উপ সম্পাদকীয় » গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমঅধিকার ছাড়া নারীর মুক্তি নেই : বহ্নিশিখা জামালী
২৯০ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ৭ মার্চ ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমঅধিকার ছাড়া নারীর মুক্তি নেই : বহ্নিশিখা জামালী

--- ৮ মার্চ ২০২৪ আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর ১১৪ তম বার্ষিকী। ১৯১০ সালে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে সমাজতান্ত্রিক নারীদের সম্মেলনে কমিউনিস্ট নেত্রী ক্লারা জেটকিন নারীর অধিকার আর মুক্তির প্রতীক হিসাবে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন।তারপর থেকে ক্রমে বিশ্বব্যাপী ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস হিসাবে উজ্জাপিত হয়ে আসছে।

৮ মার্চ এর ঘোষণা ও বার্তা ছিল পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রে অর্ধেক জনগোষ্ঠী হিসাবে নারীর সম অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা। এরই ধারাবাহিকতায় শ্রমঘন্টা কমিয়ে আনা,নারী - পুরুষের মধ্যে মজুরি বৈষম্য বিলোপ, নারীদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা, সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা প্রভৃতি দাবিসমূহ সামনে চলে আসে।

কালক্রমে নারীর উপর শ্রেণী শোষণের পাশাপাশি পুরুষতান্ত্রিক শোশণ - নিপীড়নের প্রশ্নও বড় হয়ে দেখা দেয়।পরিবার ও সমাজে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য, নারীর শরীর - নারীর সিদ্ধান্ত, সর্বস্তরে নারীর সম প্রতিনিধিত্ব প্রভৃতি নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনোযোগের অগ্রাধিকারে উঠে আসে।

সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহে অধিকার ও মুক্তির দিক থেকে নারীর বিস্ময়কর উল্লম্ফন ঘঠেছিল।কিন্তু সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিপর্যয়ের হাত ধরে নানাভাবে এই অধিকার ও মুক্তি খর্ব হতে থাকে।পুঁজিতন্ত্র ও পুঁজিতান্ত্রিক ভোগবাদী অপসংস্কৃতি কেবল সস্তা নারীশ্রমকে নয়,খোদ
নারীদেহকেই আজ পণ্যে পরিনত করেছে।

এই একবিংশ শতাব্দীতে নারীর সমঅধিকার, সমমর্যাদা ও মুক্তির প্রশ্নকে আরও গভীর ও জটিল করে তুলেছে; হাজির করেছে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশে এসবের সাথে বাডতি যুক্ত হয়েছে নারীর ভোটের অধিকার অধিকার, পশ্চাৎপদ কূপমন্ডুক সংস্কৃতি, নারী অধিকার ও মর্যাদা বিরোধী সংঘটিত প্রচারণা, নিরাপত্তার মত গুরুতর প্রশ্নসমূহ।

বাংলাদেশে সামাজিক অগ্রগতির সূচকে উপরসা নারীর কিছু অগ্রগতি হয়েছে; কিন্তু তার শিকড় দুর্বল ও বিচ্ছিন্ন। গোড়ায় রয়েছে বিরাট গলদ।শ্রেণী শোষণ নিপীড়নের পাশাপাশি রয়েছে প্রায় মধ্যযুগীয় শত ধরনের পুরুষতান্ত্রিক শোষণ আর দমন,অবদমন আর অত্যাচার - নিপীড়ন।

ফলে নারীর লড়াইটা বহুমাত্রিক ও দীর্ঘ। নারীর এই লড়াই কবে শেষ হবে বলা মুশকিল। তবে লড়তে লড়তেই নারীকে জিততে হবে; নিশ্চিত করতে হবে তার গণতান্ত্রিক অধিকার আর মানবিক মুক্তি। এই লড়াইয়ে নারী একেবারে একা নয়- এটাই ভরসা।
৮ মার্চ ২০২৪





আর্কাইভ