রবিবার ● ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » ‘সাইফুল হক : যে জীবন মানুষের তরে’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
‘সাইফুল হক : যে জীবন মানুষের তরে’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
২৬ জুলাই ২০২৬ রবিবার বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক জননেতা সাইফুল হকের ৭০তম জন্মবার্ষিকী। জন্মদিনে তাঁর উপর কালের দাবি প্রকাশনা প্রকাশ করেছে বিশেষ সংকলন ‘সাইফুল হক: যে জীবন মানুষের তরে’। এ উপলক্ষে আগামীকাল ২৬ জুলাই ২০২৬ (রবিবার) বিকেল ৪টায় রাজধানীর কালের দাবি কার্যালয়ে (১৪/২ তোপখানা রোড, তৃতীয় তলা, জাতীয় প্রেস ক্লাবের বিপরীতে, বিএমএ ভবনের পাশে) গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে দেশের বরেণ্য রাজনীতিক, শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক, কবি, শিল্পী ও নাগরিক সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।
উল্লেখ্য সাইফুল হক বাংলাদেশের প্রগতিশীল, বাম গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারার অন্যতম শীর্ষ নেতা। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তার সূচনা। ছাত্রজীবনে তিনি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন, জাতীয় ছাত্রদল ও ছাত্র ঐক্য ফোরামের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে ছাত্র আন্দোলনে ভূমিকা পালন করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের পর গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার, শ্রমিক-কৃষকসহ মেহনতি মানুষের অধিকার এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নিরলসভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য, বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক, বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে বহুবার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। গত ৮০ এর দশকে সামরিক স্বৈরতন্ত্রবিরোধী গণ আন্দোলন- গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক হিসাবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২০০৪ সালে ওয়ার্কার্স পার্টির পুনর্গঠনের ঐতিহাসিক উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়ে পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলনে তিনি নেতৃত্বদায়ী ভূমিকা পালন করেন। গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে পর্যায়ক্রমে তিনবার মঞ্চের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপিসহ যুগপৎ আন্দোলন এবং রাষ্ট্রব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কারের ৩১ দফা প্রণয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০২৪ সালের জুলাই -আগস্ট গণঅভ্যুত্থানেও তিনি সম্মুখসারির নেতৃত্বের অন্যতম ছিলেন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়ায় গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দলের প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ প্রনয়ণে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
পাঁচ দশকের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার পুলিশী নির্যাতন, নিপীড়ন ও নিগ্রহের শিকার হয়েছে, গ্রেফতার হয়েছেন কয়েকবার।২০১১ সালে সুন্দরবন রক্ষায় জাতীয় কমিটি আহুত হরতালে স্ত্রী কন্যাসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন।
রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি সাইফুল হক একজন চিন্তক, তাত্ত্বিক, লেখক ও বক্তা হিসেবেও সুপরিচিত। রাষ্ট্র, ফ্যাসিবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, বিপ্লবী বামপন্থী রাজনীতি, কৃষক-শ্রমিক আন্দোলন এবং সমকালীন রাজনৈতিক বিষয়াবলি নিয়ে তাঁর রচিত বহু গ্রন্থ, প্রবন্ধ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক চিন্তাচর্চায় ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। সম্প্রতি তার ৪৫ বছরের নির্বাচিত রচনাবলি আট খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।
সদ্য প্রকাশিত ‘সাইফুল হক: যে জীবন মানুষের তরে’ শীর্ষক সংকলনে তাঁর জীবন, রাজনৈতিক দর্শন, সংগ্রাম এবং বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতিতে তার ভূমিকার বিভিন্ন দিক প্রবন্ধ, মূল্যায়ন, স্মৃতিচারণ, সাক্ষাৎকার, আত্মকথন এবং জীবন-সংগ্রামের কালপঞ্জির মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়েছে।




সারের সংকট না থাকলে থাকলে কৃষকেরা সারের গোডাউন লুট করবে কেন?
প্রজ্ঞ্য ও দূরদর্শিতা দিয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে
শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে জাতীয় ন্যুনতম মজুরি বোর্ড গঠন করুন
নগর পরিকল্পনায় ৪০ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষদের বিবেচনায় রাখুন
বেসরকারি খাতের শ্রমিক কর্মচারীদের জন্য অবিলম্বে ন্যায্য মজুরিকাঠামো প্রনয়ণ করুন
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদারকে ফুলেল শুভেচ্ছা
বেকারত্বের অবসান না হলে সামাজিক অস্থিরতা, নৈরাজ্য ও অপরাধ প্রবনতা আরও বৃদ্ধি পাবে
মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন
‘সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলার লক্ষে কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহারে গাছের চারা রোপন করেছেন সবুজ চাকমা 