শুক্রবার ● ১৮ জুন ২০২১
প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » কালের সাক্ষী দেড়শত বছরের জমিদার বাড়ি
কালের সাক্ষী দেড়শত বছরের জমিদার বাড়ি
রাউজান প্রতিনিধি :: চট্টগ্রামের রাউজানে কালের সাক্ষী হয়ে এখনো দাঁড়িয়ে আছে ভৈরব চন্দ্র পাল সওদাগরের সেই সময়ের পুরনো জমিদার বাড়িটি। প্রায় দেড়শত বছরের আগে ইট, পাথর-সূড়কি গাঁথনি দিয়ে তৈরি করা হয় এই জমিদার বাড়ি। ভবনের চারিদিকে নানা শিল্পকর্ম ছড়িয়ে রয়েছে। এই জমিদার বাড়িতে রয়েছে দূষ্টিনন্দন বিশাল একটি দিঘী, জমিদার বাড়ির পেছনে রয়েছে বিশাল এক পুকুর সাথে পুকুরে রয়েছে রাজকীয় একটি পাকাঘাট, জমিদার বাড়ি পাশে রয়েছে একটি মন্দির। জমিদার বাড়ির দিঘীর দক্ষিণ পাশে রয়েছে মধ্যম সর্তা রামসেবক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ১৯০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই জমিদার বাড়ির মালিক ভৈরব চন্দ্র পাল ব্রিটিশ আমলে এক প্রভাবশালী জমিদার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। রাউজান উপজেলার পশ্চিম ডাবুয়া গ্রামে অবস্থিত এই জমিদার বাড়ি। বর্তমানে পুরনো হওয়ার কারণে এই জমিদার বাড়ির চারদিকে দেয়ালগুলো দিরে দিরে খসে পড়তে শুরু করেছে। দেড়শত বছরের এ জমিদার বাড়িটি দ্বিতীয় তলা। একসময় এ জমিদার বাড়িতে চলতো সেই সময়ের জমিদারি শাসন। এখন আর সেই শাসন বা জমিদারের লোকজন নেই শুধু আছে পরিত্যক্ত জমিদার বাড়িটি। বিশাল জমিদার বাড়িটি এখন অনেকটাই বিলীন হয়েগেছে। এটি রাউজানের কয়েকটি পুরনো জমিদার বাড়ির মধ্যে অন্যতম। সময় পেলে এলাকার লোকজন দেখতে যান বাড়িটি। বর্তমানে বাড়িটি ঝোপ আর জঙ্গলে পরিণত হয়ে এক ভূতুরে বাড়ির রুপ নিয়েছে। এবিষয়ে স্থানীয় লোকজন বলেন, একসময় এ জমিদার বাড়িকে ঘিরে বসতো মেলা। মেলার পরিচিত ছিল ভৈরব সওদাগরের মেলা নামে। জমিদার বাড়িতে প্রতিরাতে বসতো নাচ আর গানের আসর। বছর বছর হতো রাজপূণ্যাহ উৎসব। কিন্তু সময়ের মাঝে হারিয়ে গিয়েছে সবকিছু। আর সেই সাথে সংস্কার এর অভাবে বিলুপ্তি পথে কালের সাক্ষী সেই জমিদার বাড়ি। জানা গেছে, জমিদার ভৈরব চন্দ্র পালের রাউজানের ডাবুয়া, হলদিয়া, চিকদাইর ও ফটিকছড়ির খিরাম নাম স্থানসহ বিভিন্ন এলাকায় তাঁর বিপুল সয়-সম্পর্তি রয়েছে। তবে তাঁদের বংশধররা অনেক আগে ভারতে চলে যান। দিনের পর দিন এসব ঐতিহ্যের কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেলেও এখনো কিছু কিছু টিকে আছে দেশের নানা পান্তে।




নগর পরিকল্পনায় ৪০ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষদের বিবেচনায় রাখুন
বেসরকারি খাতের শ্রমিক কর্মচারীদের জন্য অবিলম্বে ন্যায্য মজুরিকাঠামো প্রনয়ণ করুন
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদারকে ফুলেল শুভেচ্ছা
বেকারত্বের অবসান না হলে সামাজিক অস্থিরতা, নৈরাজ্য ও অপরাধ প্রবনতা আরও বৃদ্ধি পাবে
মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন
‘সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলার লক্ষে কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহারে গাছের চারা রোপন করেছেন সবুজ চাকমা
যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে যৌথভাবে রাঙামাটি–রাজস্থলী রুটে পর্যটকবাহী পিকআপ চলবে
মানুষ এখন সরকারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচীর বাস্তবায়ন দেখতে চাইবে
২৪ এর গণঅভ্যুত্থান রাজনৈতিক নেতৃত্বের মনস্তত্ত্বে ও আচরণে বিশেষ কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি 