শুক্রবার ● ১৯ মে ২০২৩
প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জীবনযাত্রার খরছ মিটাতে শ্রমিকেরা এখন দিশেহারা
জীবনযাত্রার খরছ মিটাতে শ্রমিকেরা এখন দিশেহারা
আজ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের উদ্বোধনী সভায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক জননেতা সাইফুল হক বলেছেন আই এমএফ এর ঋণ পেতে সরকার গরীব মানুষকে দেয়া ভর্তুকী তুলে দিচ্ছে।এতে শ্রমজীবীদের জীবন আরও বিপদের মধ্যে পড়ছে।
তিনি বলেন, দেশে আজ শ্রমজীবী মেহনতীদের ঘরে ঘরে হাহাকার। জীবনযাত্রার খরচ মিটাতে তারা এখন দিশেহারা। বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে শ্রমজীবী পরিবার তিনবেলা খেতে পারছে না। বর্তমান বেতনে মাসের ১৫ দিন চলাও কঠিন। তাদের খাদ্যগ্রহন কমে গেছে। না খাওয়া,দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বেড়ে চলেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশকে দেয়া নিষেধাজ্ঞার কারণে সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে কেনাকাটা বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণায় পাল্টা ব্যবস্থা হিসাবে আমেরিকা ও ইউরোপ যদি বাংলাদেশের পণ্য কেনা বন্ধ করে দেয় তাহলে দেশে হাজারো গারমেন্টস কারখানা বন্ধ আর লাখো লাখো শ্রমিকের বেকার হওয়ার আশংকা রয়েছে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে সরকার তার অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে দেশ ও জনগণকে বাজী ধরেছে।
তিনি বলেন, ভোটের অধিকার না থাকায় শ্রমজীবী - মেহনতি মানুষ আরও ক্ষমতাহীন ও গরীব হয়েছে।
সমাবেশে তিনি শ্রমিকদের বাঁচার মত মজুরি নির্ধারণের দাবি জানান।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার বিদেশি ও লুটেরাদের স্বার্থে পাটকল - চিনিকলসহ জাতীয় শিল্প ধ্বংস করে চলেছে।এই সরকারের অধীনে শ্রমিকশ্রেণী ও শিল্প কোনটাই নিরাপদ নয়।নেতৃবৃন্দ অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলন জোরদার করার আহবান জানান।
বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর সভাপতি বহ্নিশিখা জামালী, খেতমজুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকবর খান, বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় নেতা আবু হাসান টিপু, বিপ্লবী কৃষক সংহতির সভাপতি আনছার আলী দুলাল,বিপ্লবী গারমেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি মাহমুদ হোসেন, সম্মিলিত শ্রমিক পরিষদের সমন্বয়ক এ এ এম ফয়েজ হোসেন, শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক শামীম ঈমাম,বিপ্লবী রিকশা শ্রমিক সংহতির আহবায়ক কবি জামাল সিকদার, বিপ্লবী গারমেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি অরবিন্দু বেপারি বিন্দু, সংহতি সংস্কৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক এপোলো জামালী প্রমুখ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শ্রমিকনেতা সাইফুল ইসলাম।
উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে শ্রমিকদের একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা তোপখানা রোডে, বিজয়নগর প্রদক্ষিণ করে সেগুনবাগিচায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সম্মুখে এসে শেষ হয়।
বিকেলে সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে সংগঠনের কাউন্সিল অধিবেশন শুরু হয়েছে।




আমি নারীর অধিকার,নারীর সমতা নিয়ে কাজ করিব : জুঁই চাকমা
আমার পার্টি গণতন্ত্রের পক্ষে এ কারণে আমি রাঙামাটি ২৯৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি
এদের কোন নীতি আদর্শ নাই এরা কখনো ব্যাঙের মুখে চুমু দেয় আবার কখনো সাপের মুখে চুমু দেয়
সকল লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে আমাকে কোদাল মার্কায় ভোট দিন : জুঁই চাকমা
কোদালেই ভোট দিন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা ফিরিয়ে আনব : জননেতা সাইফুল হক
নির্বাচনী প্রচারণায় জুঁই চাকমার রাঙামাটি শহরে জনসংযোগ
গণ-অভ্যুত্থনের পর আমি রাঙামাটি জেলাবাসির জন্য দল-মত নির্বিশেষে কাজ করেছি : জুঁই চাকমা
ঐক্যবদ্ধ রাঙামাটি গড়তে হলে সবার আগে আমাদের নিজেদের পরিবর্তন করতে হবে : জুঁই চাকমা
প্রগতিশীল ও নারীর স্বাধীনতার পক্ষে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী তাদের জুঁই চাকমার পাশের দাাঁড়ানোর আহবান
আপনারা যোগ্য ও ভালো মানুষকে ভোট দিবেন যাতে আপনাদের পরবর্তী আর পস্তাতে না হয় 