মঙ্গলবার ● ২৫ নভেম্বর ২০২৫
প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » কঠোর গোপনীয়তায় তাড়াহুড়ো করে টার্মিনাল সংক্রান্ত চুক্তি দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলবে
কঠোর গোপনীয়তায় তাড়াহুড়ো করে টার্মিনাল সংক্রান্ত চুক্তি দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলবে
আজ মঙ্গলবার সকালে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত ” অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় তাড়াহুড়ো করে কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি” শীর্ষক মতবিনিময় ও পরামর্শ সভায় জাতীয় নেতৃবৃন্দ সুপারসনিক গতিতে বিদেশী কোম্পানির সাথে চট্টগ্রামের লালদিয়া ও কেরানীগঞ্জের পানগাঁওতে কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি করায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন এবং বলেছেন শর্ত গোপন রেখে ও জনগণের নানা অংশের মতামত উপেক্ষা করে যেভাবে এই চুক্তি করা হয়েছে তা কোনভাবেই জাতীয় স্বার্থের পক্ষে নয়। তারা বলেন, কেউই বিদেশী কোম্পানিকে বন্দর লীজ দেবার কথা বলে।ফলে তড়িঘড়ি করে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তারা বলেন, অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এই ধরনের পদক্ষেপ সরকারের ক্ষমতা ও এক্তিয়ারের পরিপন্থী।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এর সভাপতিত্বে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন গণফোরাম এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ, এলডিপির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সভাপতি ড.ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়ক আবুল হাসান রুবেল, ভাসানী জনশক্তি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ড.আবু ইউসুফ সেলিম, গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান, নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হাসান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহবায়ক আর ইউ হাবিব প্রমুখ।
মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান।
মতবিনিময় সভার সভাপতি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ঘটানাদৃষ্টে মনে হয়, অর্থনৈতিক
বিবেচনা নয়, প্রধানত রাজনৈতিক বিবেচনায় সরকার অতি গোপনীয়তায় এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।তিনি বলেন, যে অস্বচ্চ প্রক্রিয়ায় যেভাবে একটি ৩০ বছর আর একটি ২২ বছরের পরিচালনা জন্য দুটি বিদেশি কোম্পানির সাথে চুক্তি করে লীজ দেয়া হয়েছে দেশপ্রেমিক কোন সরকার এই ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারেনা। অন্তর্বর্তী চরিত্রের একটি সরকারের টার্মিনাল বিদেশিদেরকে দেয়ার জন্য কেন এই তাড়াহুড়া তাও পরিস্কার নয়।
তিনি বলেন, বিদেশীদের হাতে কনটেইনার টার্মিনাল পোর্ট নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব দেয়ার সাথে জাতীয় স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন যুক্ত রয়েছে।অতীতে সরকার জাতীয় জনমতকে উপেক্ষা করে ও জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নানা চুক্তি করায় জনরোষের শিকার হয়েছিল। তিনি বলেন ভারতীয় আদানি গোষ্ঠীর সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের অসম ও অন্যায় চুক্তির খেসারত এখনও বাংলাদেশকে দিতে হচ্ছে। বিস্ময়করভাবে অন্তর্বর্তী সরকারও স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকরের পথে হাটছে।
সুব্রত চৌধুরী বলেন, প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ব্যতিরেকে যেভাবে এই চুক্তি করা হয়েছে তাতে সরকারের উদ্দেশ্য নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যে সরকারের বয়স আর তিন মাস সেই সরকারকে কেন প্রবল বিরোধিতা আর বিতর্কের মধ্যে এই চুক্তি করতে হবে তার যুক্তিসঙ্গত কোন ব্যাখ্যা নেই।
তিনি অনতিবিলম্বে সরকারকে বিদেশীর দিয়ে ও তাদের পরিচালনায় টার্মিনাল সংক্রান্ত চুক্তি থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।
বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশ বা জনগণের নয়, অন্য কারো স্বার্থেই জনমতকে উপেক্ষা করে এই ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।সরকারের যুক্তিসমূহ উদ্ভট ও হাস্যকর। তিনি বলেন, জনগণ দেশ বিরোধী এই ধরনের চুক্তি কোন ভাবেই মেনে নেবেনা।
শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন, আমাদের বন্দর এখন লাভজনক অবস্থায় রয়েছে।নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তাকে আরও দক্ষ ও উন্নত করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, টারমিনাল নির্মাণে যে পরিমান বিদেশী বিনিয়োগের কথা বলা হচ্ছে তার চেয়ে অনেক বেশী পুঁজি আমাদের দেশীয় উদ্যোক্তারা যোগান দিতে পারবেন।
অন্যান্য বক্তারা অতীতের মত দেশ ও জনস্বার্থ বিরোধী চুক্তি থেকে সরে আসতে আহবান জানান। তারা টারমিলাল
চুক্তি বাতিল করে নিজেদের জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে মনোযোগ দিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহবান জানান।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় নেতৃবৃন্দ প্রয়োজনে বিদেশি কোম্পানির সাথে কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি বাতিলসহ জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনের বৃহত্তর কর্মসূচী প্রদানের ঘোষণা দেন।




আমি নারীর অধিকার,নারীর সমতা নিয়ে কাজ করিব : জুঁই চাকমা
আমার পার্টি গণতন্ত্রের পক্ষে এ কারণে আমি রাঙামাটি ২৯৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি
এদের কোন নীতি আদর্শ নাই এরা কখনো ব্যাঙের মুখে চুমু দেয় আবার কখনো সাপের মুখে চুমু দেয়
সকল লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে আমাকে কোদাল মার্কায় ভোট দিন : জুঁই চাকমা
কোদালেই ভোট দিন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা ফিরিয়ে আনব : জননেতা সাইফুল হক
নির্বাচনী প্রচারণায় জুঁই চাকমার রাঙামাটি শহরে জনসংযোগ
গণ-অভ্যুত্থনের পর আমি রাঙামাটি জেলাবাসির জন্য দল-মত নির্বিশেষে কাজ করেছি : জুঁই চাকমা
ঐক্যবদ্ধ রাঙামাটি গড়তে হলে সবার আগে আমাদের নিজেদের পরিবর্তন করতে হবে : জুঁই চাকমা
প্রগতিশীল ও নারীর স্বাধীনতার পক্ষে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী তাদের জুঁই চাকমার পাশের দাাঁড়ানোর আহবান
আপনারা যোগ্য ও ভালো মানুষকে ভোট দিবেন যাতে আপনাদের পরবর্তী আর পস্তাতে না হয় 