শিরোনাম:
●   পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ৃয়া জনগোষ্ঠীর লোকজন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য যে কোন আন্দোলন সংগ্রাম করবে ●   রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব এর আত্মপ্রকাশ : সভাপতি আজিজুল সম্পাদক লোকমান ●   গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নতুন মজুরি কাঠামোর আহ্বান ●   জাঁকজমকপূর্ণভাবে রাঙামাটিতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন ●   পার্বতীপুরে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু ●   করেরহাটে অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ●   পোশাক শ্রমিকের নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি ●   রাঙামাটিতে জমি বিরোধ নিয়ে ১৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের চার্জশিট ●   পদত্যাগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব সংহতির সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম ●   রাঙামাটি জেলা বিএনপি নেতার আশির্বাদে আওয়ামীলীগ নেতা সহ-সভাপতি ●   প্রধান শিক্ষক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার সংবাদের প্রতিবাদ ●   অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে : রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ ●   সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি বিকৃত করে ফেইজবুকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ●   প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন থেকে শ্যামল চৌধুরী বহিষ্কার ●   পাহাড়ের শান্তিতে বিএনপি সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ : প্রধানমন্ত্রীকে পিসিএনপির অভিনন্দন ●   সারের সংকট না থাকলে থাকলে কৃষকেরা সারের গোডাউন লুট করবে কেন? ●   প্রজ্ঞ্য ও দূরদর্শিতা দিয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে ●   শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে জাতীয় ন্যুনতম মজুরি বোর্ড গঠন করুন ●   নগর পরিকল্পনায় ৪০ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষদের বিবেচনায় রাখুন
ঢাকা, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

Daily Sonar Bangla
শনিবার ● ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রথম পাতা » এগিয়ে যাও বাংলাদেশ » পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ৃয়া জনগোষ্ঠীর লোকজন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য যে কোন আন্দোলন সংগ্রাম করবে
প্রথম পাতা » এগিয়ে যাও বাংলাদেশ » পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ৃয়া জনগোষ্ঠীর লোকজন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য যে কোন আন্দোলন সংগ্রাম করবে
৪৩ বার পঠিত
শনিবার ● ১৭ অক্টোবর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ৃয়া জনগোষ্ঠীর লোকজন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য যে কোন আন্দোলন সংগ্রাম করবে

--- আজ শনিবার ১৭ অক্টোম্বর-২০২৬ তারিখ “বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যের অবসান চাই” শ্লোগান নিয়ে বিএনপি সরকারের ০৮ মাস পূর্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, সংগঠনের মূখপাত্র নির্মল বড়ুয়া মিলন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া যৌথ স্বাক্ষরে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা জানান।

পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগাষ্ঠীর প্রতি গভির ভালাবাসা ও জাতিগত নিপিড়নের বিরুদ্ধে পাহাড়ের বড়ুয়া জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করার আখাংকা এবং দায়িত্ববোধ থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে কথা গুলো আমরা বলছি।
বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিকভাবে খুবই সমৃদ্ধ এক দেশ। ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি এবং জাতিসত্তাগত বৈচিত্র্যপূর্ণ সমাজ এদেশে।
বাংলাদেশের সংবিধানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সমান অধিকারের স্বীকৃতি থাকলেও সামাজিকভাবে পার্বত্য অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া বড়ুয়া জনগোষ্ঠী এখানে নানা রকম বৈষম্যের শিকার।

সংবিধানের নির্দেশনা এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকারের উচিত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা গ্রহণ করা। এদেশে বড়ুয়া জনগোষ্ঠী মোট জনগোষ্ঠীর কত শতাংশ তার সঠিক কোন সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসাব বা শুমারি নেই। গণশুমারিতে বড়ুয়া জনগোষ্ঠী সম্পর্কে আলাদাভাবে তথ্য উপস্থাপন করা প্রয়োজন।
এখানে একটি কথা পরিস্কার করা অতিব প্রয়োজন; সমতলে বসবাসকারী বড়ুয়াদের সমস্যা আর পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বড়ুয়াদের সমস্যা এক নয়, কারণ পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এই তিন জেলা পরিচালিত হয় পার্বত্য চুক্তির আলোকে। পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বড়ুয়াদের সমস্যা সমাধনে সমতলের বড়ুয়া নেতাদের মাথা ব্যাথা নাই। এছাড়া সমতলের সমস্যা আর পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বড়ুয়াদের সমস্যা সর্ম্পন্ন আলাদা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল নাগরিকের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক অধিকার সমুন্নত এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া ত¦রান্বিত করা এবং বাংলাদেশের সকল নাগরিকের স্ব-স্ব অধিকার সংরক্ষণ এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তরফ হইতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার অধিবাসীদের পক্ষ হইতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি চারি খন্ড (ক,খ,গ,ঘ) সম্মিলিত ভাবে ১৯৯৭ সালে ২রা ডিসেম্বর চুক্তি করা হয়।
চুক্তির পর ২৯ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যরা প্রতিটি স্তরে স্তরে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। পার্বত্য চুক্তি বা শান্তি চুক্তির ফলে ২৯ বছর ধরে পাহাড়ের বড়ুয়ারা চরম ভাবে বৈষম্যের শিকার।
বিগত সরকার পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি উপজাতি জনগোষ্ঠীকে এককভাবে সুবিধা করে দিয়েছে। এতে শুধু সম্প্রদায় ও জাতিগত বৈষম্যই হচ্ছে না, দেশের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলমান, হিন্দু ও বড়ুয়া নাগরিকদেরকে যোগ্য মানব সম্পদে পরিণত করে দেশ ও জাতি গঠনের কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে বিশাল ধরনের বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ চুক্তিতে রাঙামাটি চাকমা, খাগড়াছড়ি ত্রিপুরা ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা মারমাদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
এখানে আরো পরিষ্কার করে যদি বলা হয়, চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সদস্য ব্যতীত পার্বত্য চুক্তির কারণে মুসলমান, বড়ুয়া, হিন্দু, তনচঙ্গা, সাঁওতাল, অহমিয়া, গুর্খা, কুকি, পাংখোয়া, লুসাই, চাক, খুমি, খিয়াং ও ম্রো ইত্যাদি জনগোষ্ঠীর কেউ কোন দিন তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হতে পারবেন না, এসকল জনগোষ্ঠীর সদস্যদের কৌশলে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের অলিখিতভাবে বাঙ্গালি জনগোষ্ঠী তফসীল ভুক্ত করা হয়।
আন্তবর্তীকালিন সরকারের সময়কালিন রাঙামাটি পার্বত্য জেলার প্রায় রাষ্ট্রীয় প্রশাসন বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা সভা করে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর খোঁজ-খবর নিতেন, যেমন-রিজিয়ন কমান্ডার, ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেড, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা, বিশেষ করে মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মারফ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাঙামাটি পার্বত্য জেলা, পুলিশ সুপার, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা, প্রশাসক, রাঙামাটি পৌরসভা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের কিছু দিক আর না দিক তৎকালিন সরকারের পক্ষ থেকে পাহাড়ে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর খোঁজ-খবর নিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর খোঁজ-খবর আর কেউ রাখেন না। উল্লেখ্য, রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের ভূমিকা রহস্যজনক। বর্তমান রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্রেরিত স্বারলিপি প্রেরণের অনুলিপি পর্যন্ত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের দেয়া হয় না। পাহাড়ের জনসেবামূলক প্রশাসন তাহলে কাদের স্বার্থে কাজ করেন ? আমাদের প্রশ্ন।

বিএনপি সরকারের সময়কালিন গঠিত রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদে অন্তর্বীকালিন পরিষদে অদ্যবধি বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর কোন প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ২০২৪ সালের জুলাই–-আগস্টে বাংলাদেশে সংঘটিত ঐতিহাসিক ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভুত্থানের পর আন্তর্বতী সরকারের মাধ্যমে ১২ ফেব্রুয়ারি-২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি সরকার গঠন করেন। বলতে গেলে বৈষম্যবিরোধী গণঅভুত্থানের ফসল বিএনপি সরকার। বিএনপি সরকারের মেয়াদ ৮ মাসে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি মূল্যায়ন কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তাকারী উপদেষ্টা কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্টাষ্ট ইত্যাদি গঠন করা হয়। কোন প্রতিষ্ঠানে রাখা হয়নি বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর কোন প্রতিনিধি।
রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি তিন পার্বত্য জেলার ২৬টি উপজেলায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রায় লক্ষাধীক ভোটার। কেবলমাত্র বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৪০ হাজারের অধিক বড়ুয়া ভোটার রয়েছেন।
গত ২ সেপ্টেম্বর-২০২৬ তারিখ বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্টাষ্ট গঠন করা হয়, ১২ জন সদস্যর ভিতর ৫ জনই মারমা সম্প্রদায়ের লোক, ২জন চাকমা সম্প্রদায়ের লোক, পদাধীকার বলে ২ জন মুসলামন সম্পাদায়ের আর যে ৩ জন বড়ুয়া সম্পাদায়ের লোক বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্টাষ্ট্রে দেয়া হয়েছে তারা কেউ পার্বত্য অঞ্চলের বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর লোক নয়। পার্বত্য অঞ্চলে কি বিএনপি দল করা বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর কোন লোক নাই ? না-কি পার্বত্য অঞ্চলের বড়ুয়ারা শিক্ষিত নয় ? সরকার যদি ধরে নেন, পার্বত্য অঞ্চলে বড়ুয়াদের কোন অধিকার নাই। তাহলে সেটা ভিন্ন কথা। সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে, পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বড়ুয়ারা জানেন আঙ্গল বাঁকা করে ঘি কি ভাবে তুলতে হয়। পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বড়ুয়াদের আজ অস্তিত্ব রক্ষা করার সময়। পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বড়ুয়াদের অস্তিত্ব রক্ষায় আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর সমমর্যাদা) জনাব বিজন কান্তি সরকার এর সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের গত ২১ মে-২০২৬ তারিখ দুপুর ১টায় দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে (কক্ষ নং-৩০৩, পরাতন ১ নং ভবন, বাংলাদেশ সচিবালয়) এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত মতবিনিময় সভা শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫ বরাবর ৮ দফা দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলা প্রশাসন কার্যালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিকট স্মারকলিপি প্রেরণ করা হয়।
এসব স্মারকলিপির কোন সদুত্তর অদ্যবধি পায়নি বড়ুয়া জনগোষ্ঠী।
পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর মানুষ অত্যান্ত শান্তি প্রিয়, তারা শান্তি চায়, উন্নয়ন চায়, একটা সম্মাজনক জীবনধারা চায়। যে জীবনধারায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর মান-মর্যাদা থাকবে।
এজন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সংবিধানের আওতায় ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন-সংগ্রাম করে যাচ্ছি, পার্বত্য অঞ্চলের বড়ুয়ারা নুন্যতম বেঁচে থাকার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সেটাই আমরা কামনা করি।
পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর লোকজন বেঁচে থাকতে চায়, নিজেদের অধিকার চায়, তাই তারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য যে কোন আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে পাহাড়ে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর লোকজন বেঁচে থাকার নুন্যতম অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে প্রস্তুত।

একথা গুলো আমরা গণমাধ্যমের সহযোগিতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের মূখপাত্র হিসাবে বিএনপি সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমার এবং সরকারের নীতি নির্ধারকদের কাছে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর পক্ষে আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের পক্ষে তাদের এর দাবি সমুহ হচ্ছে ;

১। পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সহ তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা এবং বড়য়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।
২। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি মূল্যায়ন কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তাকারী উপদেষ্টা কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন,পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর বোর্ড সভায়, তিন পার্বত্য জেলা প্রশাসনে আইন শৃংখলা কমিটিতে, তিন পার্বত্য জেলার ২৬টি উপজেলা প্রশাসনে আইন শৃংখলা কমিটিতে, তিন পার্বত্য জেলার পৌরসভার শহর উন্নয়ন কমিটিতে বিশেষ বিবেচনায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা।
৩। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর শুমারির তথ্যে অধ্যায় ৩ রাঙামাটি/বান্দরবান/খাগড়াছড়ি জেলার শুমারির ফলাফল ৩.১.৪ এর ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা ছকে বা খানায় বৌদ্ধ বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের পরিচিতি আলাদা ভাবে উল্লেখ করা হয়নি। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এ শুমারি সম্পর্কিত অধিকতর তথ্য-উপাত্ত আলাদাভাবে ছকে বা খানায় বৌদ্ধ “বড়ুয়া” জনগোষ্ঠীর পরিচিতি সংযুক্ত করা।
৪। রাষ্ট্রীয় ভাবে বৌদ্ধ “বড়ুয়া“ জনগোষ্ঠীর সদস্যরা বৈষম্যের শিকার বিধায় তিন পার্বত্য জেলা বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে জাতীয় সংসদে উচ্চ কক্ষ গঠিত হলে সংসদ সদস্য পদ সংরক্ষিত করে পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দেয়া।
৫। বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি হিসাবে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা থেকে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা।
৬। ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বসবাসরত অন্য সকল জনগোষ্ঠীর ন্যায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর ছাত্র-ছাত্রীদের এবং সদস্যদের সকল সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেয়া। এছাড়া পার্বত্য জেলায় জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, তিন জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ সুপার, জেলা সিভিল সার্জন এর অধীনে ২য় -৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জন্য অন্যান্য জনগোষ্ঠী ( যেমন: মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিষ্টান) র ন্যায় কোটা সংরক্ষণ করার দাবি।
৭। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দিবস এবং শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সাথে সাক্ষাৎকালিন পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের প্রাণের সংগঠন “পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের” মাধ্যমে উল্লেখিত দিবসে আমন্ত্রণ জানানো।
৮। বৈষম্য বিলোপ কমিশন গঠন করা ইত্যাদি।





এগিয়ে যাও বাংলাদেশ এর আরও খবর

রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব এর আত্মপ্রকাশ : সভাপতি আজিজুল সম্পাদক লোকমান রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব এর আত্মপ্রকাশ : সভাপতি আজিজুল সম্পাদক লোকমান
গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নতুন মজুরি কাঠামোর আহ্বান গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নতুন মজুরি কাঠামোর আহ্বান
জাঁকজমকপূর্ণভাবে রাঙামাটিতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন জাঁকজমকপূর্ণভাবে রাঙামাটিতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন
রাঙামাটি জেলা বিএনপি নেতার আশির্বাদে আওয়ামীলীগ নেতা সহ-সভাপতি রাঙামাটি জেলা বিএনপি নেতার আশির্বাদে আওয়ামীলীগ নেতা সহ-সভাপতি
প্রধান শিক্ষক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার সংবাদের প্রতিবাদ প্রধান শিক্ষক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া বিরুদ্ধে পাহাড় কাটার সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক
পাহাড়ের শান্তিতে বিএনপি সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ : প্রধানমন্ত্রীকে পিসিএনপির অভিনন্দন পাহাড়ের শান্তিতে বিএনপি সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ : প্রধানমন্ত্রীকে পিসিএনপির অভিনন্দন
শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে জাতীয় ন্যুনতম মজুরি বোর্ড গঠন করুন শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে জাতীয় ন্যুনতম মজুরি বোর্ড গঠন করুন
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদারকে ফুলেল শুভেচ্ছা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদারকে ফুলেল শুভেচ্ছা

আর্কাইভ