মঙ্গলবার ● ১৫ জুলাই ২০২৫
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৮ দফা দাবিতে স্মারকলিপি
পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৮ দফা দাবিতে স্মারকলিপি
স্টাফ রিপোর্টার :: “বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যে অবসান চাই” শ্লোগান নিয়ে আজ ১৫ জুলাই-২০২৫ ইংরেজি তারিখ মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা ও ধর্ম বিষয়ক উপষ্টোর কাছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৮ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দেয়া হয়।
সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৮ দফা দাবি স্মারকলিপি গ্রহন করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন এর দাবি সমুহ :
(১) পার্বত্য চুক্তিটি সংশোধনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সহ তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা।
(২) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি মূল্যায়ন কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তাকারী উপদেষ্টা কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন,পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর বোর্ড সভায়, তিন পার্বত্য জেলা প্রশাসনে আইন শৃংখলা কমিটিতে, তিন পার্বত্য জেলার ২৬টি উপজেলা প্রশাসনে আইন শৃংখলা কমিটিতে, তিন পার্বত্য জেলার পৌরসভার শহর উন্নয়ন কমিটিতে বিশেষ বিবেচনায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা।
(৩) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর শুমারির তথ্যে অধ্যায় ৩ রাঙামাটি জেলার শুমারির ফলাফল ৩.১.৪ এর ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা ছকে বা খানায় বৌদ্ধ বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের পরিচিতি আলাদা ভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এ শুমারি সম্পর্কিত অধিকতর তথ্য-উপাত্ত আলাদাভাবে ছকে বা খানায় বৌদ্ধ “বড়ুয়া” জনগোষ্ঠীর পরিচিতি সংযুক্ত করা।
(৪) রাষ্ট্রীয় ভাবে বৌদ্ধ “বড়ুয়া” জনগোষ্ঠীর সদস্যরা বৈষম্যের শিকার বিধায় তিন পার্বত্য জেলা বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে সংসদ সদস্য পদ সংরক্ষিত করে পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দেয়া।
(৫) বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি হিসাবে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা থেকে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা।
(৬) ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বসবাসরত অন্য সকল জনগোষ্ঠীর ন্যায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর ছাত্র-ছাত্রীদের এবং সদস্যদের সকল সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেয়া।
(৭) রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দিবস এবং শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের সাথে সাক্ষাৎকালিন পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের নিজস্ব সংগঠনের মাধ্যমে উল্লেখিত দিবসে আমন্ত্রণ জানানো।
(৮) বৈষম্য বিলোপ কমিশন গঠন করা।
এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন এর কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ভদন্ত অজিতানন্দ মহাথেরো, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ বাদল বরণ বড়ুয়া ও সমর জিৎ বড়ুয়া।
নর্বনির্বাচিত কমিটির সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন, সহ সভাপতি জিনপদ বড়ুয়া, শ্যামল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন কান্তি বড়ুয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নিপুন বড়ুয়া জিকু, অর্থ সম্পাদক অপু বড়ুয়া, যুব বিষয়ক সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বাপ্পি, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল বড়ুয়া, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক স্বাধীন বড়ুয়া নিশু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নেলী বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক পলাশ বড়ুয়া, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রুবেল বড়ুয়া, দপ্তর সম্পাদক দেবাশীষ বড়ুয়া প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।




হিংসা,বিভাজন, মববাজি,সাম্প্রদায়িক আর জংগীবাদী তৎপরতায় গণঅভ্যুত্থানের অর্জনকে ধূলিসাৎ করা যাবেনা
হরিণায় ১২ বিজিবি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ
রাঙামাটির হরিণায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ
রাঙামাটির দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি দ্রুত উদ্যোগের আহ্বান বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির
বার কাউন্সিলের আদলে সাংবাদিক নিবন্ধনের প্রস্তাব তথ্যমন্ত্রীর
দুঃখী মানুষের পাশে সবসময় আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল
কাপ্তাইয়ে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা
ইউএনওর হস্তক্ষেপে হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য আটকে রাখা মায়ের মুক্তি
পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট লামা উপজেলা কমিটি গঠন
ভূমিদস্যু প্রকাশ কুসুম বড়ুয়াকে ডলছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে অন্যত্র বদলীর দাবি করেছেন স্থানীয়রা 