শিরোনাম:
●   রাঙামাটির হরিণায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ ●   রাঙামাটির দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি দ্রুত উদ্যোগের আহ্বান বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ●   বার কাউন্সিলের আদলে সাংবাদিক নিবন্ধনের প্রস্তাব তথ্যমন্ত্রীর ●   দুঃখী মানুষের পাশে সবসময় আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল ●   কাপ্তাইয়ে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা ●   ইউএনওর হস্তক্ষেপে হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য আটকে রাখা মায়ের মুক্তি ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট লামা উপজেলা কমিটি গঠন ●   ভূমিদস্যু প্রকাশ কুসুম বড়ুয়াকে ডলছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে অন্যত্র বদলীর দাবি করেছেন স্থানীয়রা ●   মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার দায়ে বাদল বরণ বড়ুয়াকে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে বহিস্কার ●   পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কাউখালী উপজেলা কমিটি গঠন ●   রাঙামাটিতে বাদল বরণ বড়ুয়া নামের স্বঘোষিত জাতীয় বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্ধান ●   নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে রাঙামাটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ●   ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাঙামাটি জেলাবাসীকে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শুভেচ্ছা ●   পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ●   বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য যখন কমতির দিকে তখন দেশে তেলের মূল্যবৃদ্ধির যৌক্তিক কারণ নেই ●   রাবিপ্রবি’র প্রকল্প নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা ●   হামে শিশুর মৃত্যুর দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনুন ●   বিশ্বশান্তি-শোভাযাত্রা ও জাতীয় বৌদ্ধ মহাসম্মেলনে পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান প্রধান অতিথি থাকার সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন ●   বাঙ্গালী বৌদ্ধ পরিচয় দিয়ে বড়ুয়াদের বাঙ্গালী কোটায় ফেলে দেয়, আবার বাঙ্গালীরা বলেন, তোমরা বৌদ্ধ, উপজাতি কোটায় তোমরা ●   পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ভারতের নির্বাচনী গণতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে নিয়ে গেছে
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

Daily Sonar Bangla
বৃহস্পতিবার ● ১৮ মে ২০২৩
প্রথম পাতা » অর্থনীতি » ভোগ্যপণ্যের লাগামহীন মুল্য বৃদ্ধিতে বেকায়দায় সাধারণ ভোক্তারা
প্রথম পাতা » অর্থনীতি » ভোগ্যপণ্যের লাগামহীন মুল্য বৃদ্ধিতে বেকায়দায় সাধারণ ভোক্তারা
১০৪৫ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ১৮ মে ২০২৩
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ভোগ্যপণ্যের লাগামহীন মুল্য বৃদ্ধিতে বেকায়দায় সাধারণ ভোক্তারা

ছবি : সংবাদ সংক্রান্ত ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :: পাগলা ঘোড়ার ন্যায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির পদতলে জনজীবন পিষ্ট হয়ে পড়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার কারণে দৈনন্দিন পারিবারিক চাহিদা মেটাতে পরিবার প্রধানদের উঠেছে নাভিশ্বাস।

বর্তমানের সংকটময় মুহূর্তে ভোগ্যপণ্যের অগ্নিমূল্যে কষ্টে দিন পার করছে দেশের অধিকাংশ মধ্য ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। যারা লজ্জায় না পারছে কাউকে কিছু বলতে, না পারছে কারও কাছে হাত পাততে।
সরেজমিনে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে খাদ্যপন্যের অস্বাভাবিক দামের চিত্র।
বিগত কয়েক মাসের ব্যবধানে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি ইত্যাদিসহ অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। বর্তমানে ঘোড়াঘাটে আলু ৪৫ টাকা যা গত মাসে ছিলো ৩০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা যা গত মাসে ছিলো ৩৫/৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা যা গত মাসে ছিলো ৪০ টাকা, পিয়াজ ৬০ টাকা যা গত মাসে ছিলো ৪০ টাকা, আদা ৩০০ টাকা যা গত মাসে ছিলো ২৬০ টাকা, রসুন ১৮০ টাকা যা গত মাসে ছিলো ১৪০ টাকা, জিরা ৮২০ টাকা যা গত মাসে ছিলো ৫৫০ টাকা, শুকনা মরিচ ৫০০ টাকা, গরম মশলা ১৫০০ টাকা, সয়াবিন তেল ১৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, ভোগ্যপন্যের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে আমরা পথের ফকির হয়ে যাবো। বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করছেন। সরকারকে কঠোর হাতে অতিলোভী অসাধু এসব ব্যবসায়ীদেরকে দমন করতে হবে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যতালিকা টাঙানো এবং নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে কিনা, সেটি পর্যবেক্ষণের জন্য সব বাজারে দ্রব্যমূল্য মনিটরিং কমিটি গঠনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির শিকার প্রধানত কৃষক, শ্রমিক, পেশাজীবীসহ নির্দিষ্ট আয়ের কর্মচারী। কৃষক ফসলের যুক্তিসঙ্গত দাম পান না, শ্রমিকের মজুরি বাড়ে না, কর্মচারীদের বেতন দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অনেক ক্ষেত্রে বাড়ে না। কিন্তু জিনিসপত্রের দাম ক্রমাগতই বাড়ছে। সবমিলিয়ে মধ্যম ও নিম্নআয়ের মানুষ এখন সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকার তাগিদে অনেকেই জীবনযাত্রার মান কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছেন। এমনকি অনেকে বাড়তি খাবার কেনাও কমিয়ে দিয়েছেন।
সুধীজনরা বলছেন, বিত্তবানদের জন্য দ্রব্যমূল্য প্রত্যক্ষভাবে কখনোই তেমন সমস্যা নয়। কারণ তাদের আয় প্রায় সীমাহীন। কিন্তু সাধারণ মানুষ যে আয় করে তা দিয়ে তাকে হিসাব করে চলতে হয়। এমতাবস্থায় বাজার মনিটরিং এ প্রশাসনিক নজরদারির কোন বিকল্প নেই।





আর্কাইভ