মঙ্গলবার ● ১৮ নভেম্বর ২০২৫
প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জুলাই সনদ আদেশ সংশোধন করে কেবল মতৈক্যের বিষয়গুলো গণভোটে দিন
জুলাই সনদ আদেশ সংশোধন করে কেবল মতৈক্যের বিষয়গুলো গণভোটে দিন
আজ রবিবার সকালে সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আহুত সংবাদ সম্মেলনে পার্টির সাধারণ সম্পাদক জননেতা সাইফুল হক বলেছেন, রাষ্ট্রপতির নামে জারীকৃত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন( সংবিধান সংশোধন) আদেশ নির্বাচনকে ঘিরে অনিশ্চয়তা অনেকটা দূর করলেও তা অনেক গুরুতর সাংবিধানিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। স্পষ্টতই এই আদেশের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষকে আস্থায় নেয়ার প্রচেষ্টা রয়েছে।তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের এই প্রচেষ্টাকে ইতিবাচক হিসাবে আখ্যায়িত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাইফুল হক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বিদ্যমান যে সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন ও ১৫ মাস ধরে ক্ষমতায় আছেন তারা সংবিধান সংশোধন নিয়ে কোন সাংবিধানিক আদেশ দিতে পারেন কিনা এবং এই আদেশ বিদ্যমান সংবিধানকে অস্বীকার করার সামিল কিনা এই প্রশ্নও বড় হয়ে উঠেছে।বস্তুতঃ এই ধরনের আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের ম্যান্ডেট ও এক্তিয়ারের বাইরে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ও জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারীতে জাতীয় নির্বাচনের সাথে একইদিনে গণভোট অনুষ্ঠানের পদক্ষেপকে স্বাগত জানান। তবে বলেন, এই পদক্ষেপ ক ইতিবাচক হলেও গণভোটের জন্য উত্থাপিত বিষয়াবলীর উপর একটি শব্দে মতামত প্রদান অস্বাভাবিক ও ঝুঁকিপূর্ণ। যে চারটি ভাগে ভাগ করে গণভোটের বিষয়াবলী উল্লেখ করা হয়েছে কেবল একটি উত্তরে হাঁ বা না বলা যথেষ্ট জটিল প্রক্রিয়া।ভোটারেরা যদি দুটি বিষয়ে হাঁ, বা দুটি বা একটি বিষয়ে না বলতে চান তাদের জন্য বিকল্প কি?
তিনি বলেন, এইভাবে গণভোটের আসল উদ্দেশ্য অর্জন করা যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই সনদকে ঝুঁকির মধ্যে নিয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই; তা হবে আত্মঘাতী।
তিনি ঝুঁকি এড়াতে সংবিধান সংশোধনের যেসব বিষয়ে সকল দলের মতৈক্য রয়েছে কেবল সেসব বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠানের দাবি জানান। তিনি বাকি বিষয়সমূহ পরবর্তী নির্বাচিত পার্লামেন্টের উপর ছেড়ে দেয়ার আহবান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সাইফুল হক বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, বিদ্যমান সাংবিধানিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির নামে সাংবিধানিক আদেশ জারি করার কোন সুযোগ নেই। বাস্তবিকভাবে এই আদেশ ভবিষ্যতে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার প্রতিনিধিত্বকারী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে পার্লামেন্টকে পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধনের বিপজ্জনক নজির হিসাবে ব্যবহৃত হবার রাস্তা খুলে দিয়েছে। এবং এই পথে পরোক্ষভাবে সাংবিধানিক কর্তৃত্ববাদ আবার ফিরে আসার জমিনও খানিকটা প্রশস্ত করে দিল।
তিনি বলেন সরকার আপাততঃ সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে যে পথ অনুসরণ করলো তা ভবিষ্যতে বড় সাংবিধানিক ও শাসনতান্ত্রিক সংকটের জন্ম দেবে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বিষয়গুলোকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ সংশোধনে দ্রুত কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সিকদার হারুন মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সংগঠক বাবর চৌধুরী, ঢাকা মহানগর নেতা সালাউদ্দিন, যুবরান আলী জুয়েল, আরিফুল ইসলাম আরিফ, মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।




আমি নারীর অধিকার,নারীর সমতা নিয়ে কাজ করিব : জুঁই চাকমা
আমার পার্টি গণতন্ত্রের পক্ষে এ কারণে আমি রাঙামাটি ২৯৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি
এদের কোন নীতি আদর্শ নাই এরা কখনো ব্যাঙের মুখে চুমু দেয় আবার কখনো সাপের মুখে চুমু দেয়
সকল লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে আমাকে কোদাল মার্কায় ভোট দিন : জুঁই চাকমা
কোদালেই ভোট দিন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা ফিরিয়ে আনব : জননেতা সাইফুল হক
নির্বাচনী প্রচারণায় জুঁই চাকমার রাঙামাটি শহরে জনসংযোগ
গণ-অভ্যুত্থনের পর আমি রাঙামাটি জেলাবাসির জন্য দল-মত নির্বিশেষে কাজ করেছি : জুঁই চাকমা
ঐক্যবদ্ধ রাঙামাটি গড়তে হলে সবার আগে আমাদের নিজেদের পরিবর্তন করতে হবে : জুঁই চাকমা
প্রগতিশীল ও নারীর স্বাধীনতার পক্ষে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী তাদের জুঁই চাকমার পাশের দাাঁড়ানোর আহবান
আপনারা যোগ্য ও ভালো মানুষকে ভোট দিবেন যাতে আপনাদের পরবর্তী আর পস্তাতে না হয় 