শুক্রবার ● ৮ অক্টোবর ২০২১
প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ নির্মাণে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ নির্মাণে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
শামসুল আলম স্বপন, কুষ্টিয়া, ৮ অক্টোবর :: কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একনেকের সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে
এ তথ্য জানান পরিকল্পনানমন্ত্রী এম এ মান্নান।
মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গেছে, আলোচিত এই প্রকল্পের নাম, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন। ১১ বছর ধরে চলমান প্রকল্পটির সংশোধন প্রস্তাবে অনুমোদন না দিয়ে তদন্ত করে পরবর্তী একনেক সভায় প্রতিবেদন দিতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সভায় প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, “কি কারণে প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি”। এর আগেও ২০১৮ সালে এ প্রকল্পটি নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছিলাম”। তিনি প্রকল্পের মেয়াদ এবং ব্যয় বাড়ানোর কারণও জানতে চেয়েছেন।
জানা যায়, প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় স্বাস্থ্য সচিব ও পরিকল্পনামন্ত্রীকে কোন কথা বলার সুযোগ দেননি প্রধানমন্ত্রী। সচিব প্রকল্পের বিস্তারিত বলতে গেলে প্রধানমন্ত্রী থামিয়ে দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে না পারার পেছনে কারা কারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে বিভাগীয় পর্যায়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এই প্রকল্পের মূল অনুমোদিত ব্যয় ছিল ২৭৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। বাস্তবায়ন মেয়াদ ছিল জানুয়ারি ২০১২ থেকে ডিসেম্বর ২০১৪ সাল পর্যন্ত। কিন্তু গত ৮ বছরে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে পারেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রকল্পটি প্রথম অনুমোদনের পর দুই দফা মেয়াদ বাড়িয়ে বাস্তবায়নের মেয়াদ ২০১৬ সাল পর্যন্ত করা হয়।
এর পর প্রথম সংশোধন করা হয়। প্রথম সংশোধনীর পরও প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২০ সাল পর্যন্ত করা হয়। মঙ্গলবার দ্বিতীয় সংশোধনের জন্য একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটি ফিরিয়ে দেন। গত ৮ বছরে প্রকল্পটির ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।
প্রস্তাবনায় দেখা যায়, চিকিৎসা শিক্ষার জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করা, চিকিৎসক তৈরির মাধ্যমে চিকিৎসক এবং জনসাধারণের আনুপাতিক হার যৌক্তিক করা, চিকিৎসা শিক্ষাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা, প্রান্তিক জেলায় তৃণমূল জনসাধারণ পর্যায়ে চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা, চিকিৎসা শিক্ষার চাহিদা পূরণ করা, হাসপাতালকে ক্লিনিক্যাল এবং ব্যবহারিক পরীক্ষাগার হিসেবে মেডিকেল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উপযোগী করা, কুষ্টিয়া ও তার পার্শ্ববর্তী জেলার জনগণের জন্য আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা, উপযুক্ত এবং আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার উপযোগী পরিকাঠামো তৈরি করা, বিশেষ পরিসেবা প্রদানের মাধ্যমে বিনামূল্যে কার্যকর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা, শিশু এবং মাতৃ-মৃত্যুর হার হ্রাস নিশ্চিত করা, চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে মানুষের আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি করা এবং ডাক্তার এবং অন্যান্য পেশার জনগণের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্যই গ্রহণ করা হয়েছিলো প্রকল্পটি।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি এ প্রশ্নের জবাবে প্রকল্প পরিচালক ডা. আমিনুল ইসলাম জানান প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব কুষ্টিয়া গণপূর্ত বিভাগের । কেন তারা সময় মত কাজ শেষ করতে পারেননি সে ব্যাপারে গত জানুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি তদন্ত টিম গঠিত হয় । গত ১৭ জানুয়ারী স্বাস্থ্য সচিব লোকমান হোসেন টিমের সদস্যদের নিয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। শুনেছি তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়া হয়েছে । তবে ওই রিপোর্টটে কি আছে আমি তা বলতে পারবো না।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান কুষ্টিয়া গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী পরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন তিনি মাত্র ৭ মাস কুষ্টিয়াতে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান ফান্ড সংকটের কারণে মেডিকেল কলেজের উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে আছে । ফান্ড পেলেই ২০২৩ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. দেলদার হোসেন বলেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা উদগ্রীব হয়ে আছে তাদের নতুন ক্যাম্পাসে যাওয়ার জন্য কিন্তু উন্নয়ন কাজ শেষ না হওয়ায় কুষ্টিয়া ম্যাটস্ েকষ্ট করে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস করাতে আমরা বাধ্য হচ্ছি।




খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে জননেতা সাইফুল হকের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন
১১ জানুয়ারী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে জননেতা সাইফুল হক
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠিত
বিশ্বাসযোগ্য সুষ্ট-নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে রিটার্নিং অফিসার নাজমা আশরাফীকে ২৪ ঘন্টার ভিতর রাঙামাটি থেকে প্রত্যাহারের দাবি
তারেক রহমানের সাথে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রার্থী, ভোটার ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
বাংলাদেশের নারী শিক্ষা উন্নয়নে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম : জুঁই চাকমা
রাঙামাটি-২৯৯ আসনে জুঁই চাকমার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক 