বুধবার ● ১৯ মার্চ ২০২৫
প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » হঠাৎ আঞ্চলিক দলগুলো নিবন্ধন নেয়ার চেষ্টার পিছনে আসল উদ্দেশ্য কী?
হঠাৎ আঞ্চলিক দলগুলো নিবন্ধন নেয়ার চেষ্টার পিছনে আসল উদ্দেশ্য কী?
যখন আঞ্চলিক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দলগুলো, যেমন ইউপিডিএফ, পিসিজেএসএস, এবং কেএনএফ, নিজেদের রাজনৈতিক দলে রূপান্তরিত ও নিবন্ধনের চেষ্টা করছে, তখন একটি বড় প্রশ্ন উঠতে থাকে-এই হঠাৎ পরিবর্তনের পিছনে আসলে উদ্দেশ্য কী? এসব দল যে দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র আন্দোলন এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যক্রমে লিপ্ত, তা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। এখন তাদের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা একদিকে যেমন সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দেয়, তেমনি জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্যও বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। কেন এই সময়েই তারা রাজনীতি করতে চাচ্ছে? তাদের রাজনৈতিক দলে রূপান্তরের পেছনে কি কোনো বিদেশী শক্তির ইন্ধন রয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর দেশবাসীকে বুঝতে হবে, যাতে আমাদের নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত রাখা যায়।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা বহু বছর ধরে জাতীয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে আসছেন। তারা এমপি, মন্ত্রী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর, মেম্বারসহ বিভিন্ন সরকারি পদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এটি প্রমাণ করে যে, জাতির উন্নয়নে তাদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য এবং আইনগতভাবে বৈধ। এমনকি তারা চাইলে সমগ্র বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী একত্রিত হয়ে, সকল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে একত্র করে জাতীয় রাজনৈতিক দলও গঠন করতে পারে। এখানে কোনো অসুবিধে নেই।
তবে, কিছু আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠন, যেমন ইউপিডিএফ, পিসিজেএসএস, এবং কেএনএফ, কোনোভাবেই রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিতি লাভের যোগ্য নয়। এসব সংগঠন সশস্ত্র ইনসার্জেন্ট গ্রুপ, যা কার্যকরীভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কাজ করে চলেছে। তাদের লক্ষ্য শুধু বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতি নয়, বরং তারা দেশের ভেতরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে চলেছে। এদের কার্যক্রমে কোনো ধরনের রাজনৈতিক আদর্শের প্রতিফলন নেই, বরং বরাবরই তারা সন্ত্রাস ও সহিংসতা ছড়িয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডে জনগণের জানমালের ক্ষতি, রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত, এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি চরম হুমকি সৃষ্টি হচ্ছে। এমন একটি দলকে রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া, দেশের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে এক বড় বিপদ হবে।
এখন যদি এই সন্ত্রাসী দলগুলোর রাজনৈতিক নিবন্ধন দেওয়া হয়, তবে তা একদিকে যেমন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতি একটি চ্যালেঞ্জ হবে, তেমনি দেশের আইনশৃঙ্খলার জন্যও তা বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করবে। তাদের অস্ত্রধারী কার্যক্রম, জনগণের প্রতি সহিংসতা, এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব স্পষ্টভাবে জাতির জন্য বিপদজনক। তাই, তাদেরকে রাজনীতি করার অধিকার দেওয়া হবে না, এটি অত্যন্ত জরুরি। আর যেখানে এসব সন্ত্রাসী সংগঠন রাষ্ট্রের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে, সেখানে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।
তাছাড়া, আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে যে বিদেশী শক্তির প্রভাব এবং অনুপ্রেরণা কাজ করছে, তা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্বকে আরো সংকটের মুখে ফেলছে। এই গোষ্ঠীগুলোর আড়ালে বিদেশী অর্থায়ন এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রগুলো বাংলাদেশের শান্তি ও অখণ্ডতার জন্য বিপদজনক হতে পারে। দেশবাসীকে সচেতন থাকতে হবে, যাতে দেশের প্রতিটি অংশে শান্তি বজায় থাকে এবং বহিরাগত শক্তি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেয়া যায়।
আমাদের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা কোনোভাবেই আপোসযোগ্য নয়। যারা দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলন করে, তাদের রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া আমাদের দেশের ইতিহাস এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি গুরুতর বিশ্বাসঘাতকতা হবে। এমন আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান নেওয়া উচিত, যাতে আমাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে।




বেসরকারি খাতের শ্রমিক কর্মচারীদের জন্য অবিলম্বে ন্যায্য মজুরিকাঠামো প্রনয়ণ করুন
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদারকে ফুলেল শুভেচ্ছা
বেকারত্বের অবসান না হলে সামাজিক অস্থিরতা, নৈরাজ্য ও অপরাধ প্রবনতা আরও বৃদ্ধি পাবে
মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন
‘সবুজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান’ গড়ে তোলার লক্ষে কদমতলী ধর্ম্মাংকুর বুদ্ধ বিহারে গাছের চারা রোপন করেছেন সবুজ চাকমা
যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে যৌথভাবে রাঙামাটি–রাজস্থলী রুটে পর্যটকবাহী পিকআপ চলবে
মানুষ এখন সরকারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচীর বাস্তবায়ন দেখতে চাইবে
২৪ এর গণঅভ্যুত্থান রাজনৈতিক নেতৃত্বের মনস্তত্ত্বে ও আচরণে বিশেষ কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি
রিকশা শ্রমিক - শ্রমজীবীদের বাঁচার দাবি পূরণ করে সরকারকে শ্রমিকবান্ধব হিসাবে প্রমান করতে হবে 