<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>Daily Sonar Bangla</title>
	<link>https://www.dailysonarbangla.com</link>
	<description>For Bangali and Bangladesh</description>
	<pubDate>Sat, 17 Oct 2026 04:08:42 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.3</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ৃয়া জনগোষ্ঠীর লোকজন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য যে কোন আন্দোলন সংগ্রাম করবে</title>
		<link>https://www.dailysonarbangla.com/5207</link>
		<comments>https://www.dailysonarbangla.com/5207#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[এগিয়ে যাও বাংলাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[এপার বাংলা ওপার বাংলা]]></category>

		<category><![CDATA[ছবি গ্যালারী]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রান্তিক জনগোষ্ঠী]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সারাবাংলা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailysonarbangla.com/5207</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/bengali-organisational-announcement-poster-thumbnail.png" alt="" /></span> আজ শনিবার ১৭ অক্টোম্বর-২০২৬ তারিখ “বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যের অবসান চাই” শ্লোগান নিয়ে বিএনপি সরকারের ০৮ মাস পূর্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, সংগঠনের মূখপাত্র নির্মল বড়ুয়া মিলন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া যৌথ স্বাক্ষরে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা জানান।
পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগাষ্ঠীর প্রতি গভির ভালাবাসা ও জাতিগত নিপিড়নের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/bengali-organisational-announcement-poster-thumbnail.png" align="left" alt="---" /> আজ শনিবার ১৭ অক্টোম্বর-২০২৬ তারিখ “বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যের অবসান চাই” শ্লোগান নিয়ে বিএনপি সরকারের ০৮ মাস পূর্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, সংগঠনের মূখপাত্র নির্মল বড়ুয়া মিলন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া যৌথ স্বাক্ষরে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা জানান।</p>
<p>পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগাষ্ঠীর প্রতি গভির ভালাবাসা ও জাতিগত নিপিড়নের বিরুদ্ধে পাহাড়ের বড়ুয়া জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করার আখাংকা এবং দায়িত্ববোধ থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে কথা গুলো আমরা বলছি।<br />
বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিকভাবে খুবই সমৃদ্ধ এক দেশ। ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি এবং  জাতিসত্তাগত বৈচিত্র্যপূর্ণ সমাজ এদেশে।<br />
বাংলাদেশের সংবিধানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সমান অধিকারের স্বীকৃতি থাকলেও সামাজিকভাবে পার্বত্য অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া বড়ুয়া জনগোষ্ঠী এখানে নানা রকম বৈষম্যের শিকার।</p>
<p>সংবিধানের নির্দেশনা এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সরকারের উচিত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা গ্রহণ করা। এদেশে বড়ুয়া জনগোষ্ঠী মোট জনগোষ্ঠীর কত শতাংশ তার সঠিক কোন সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসাব বা শুমারি নেই। গণশুমারিতে বড়ুয়া জনগোষ্ঠী সম্পর্কে আলাদাভাবে তথ্য উপস্থাপন করা প্রয়োজন।<br />
এখানে একটি কথা পরিস্কার করা অতিব প্রয়োজন; সমতলে বসবাসকারী বড়ুয়াদের সমস্যা আর পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বড়ুয়াদের সমস্যা এক নয়, কারণ পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এই তিন জেলা পরিচালিত হয় পার্বত্য চুক্তির আলোকে। পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বড়ুয়াদের সমস্যা সমাধনে সমতলের বড়ুয়া নেতাদের মাথা ব্যাথা নাই। এছাড়া সমতলের সমস্যা আর পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বড়ুয়াদের সমস্যা সর্ম্পন্ন আলাদা।<br />
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল নাগরিকের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক অধিকার সমুন্নত এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া ত¦রান্বিত করা এবং বাংলাদেশের সকল নাগরিকের স্ব-স্ব অধিকার সংরক্ষণ এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তরফ হইতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার অধিবাসীদের পক্ষ হইতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি চারি খন্ড (ক,খ,গ,ঘ) সম্মিলিত ভাবে ১৯৯৭ সালে ২রা ডিসেম্বর চুক্তি করা হয়।<br />
চুক্তির পর ২৯ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামের বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যরা প্রতিটি স্তরে স্তরে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। পার্বত্য চুক্তি বা শান্তি চুক্তির ফলে ২৯ বছর ধরে পাহাড়ের বড়ুয়ারা চরম ভাবে বৈষম্যের শিকার।<br />
বিগত সরকার পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি উপজাতি জনগোষ্ঠীকে এককভাবে সুবিধা করে দিয়েছে। এতে শুধু সম্প্রদায় ও জাতিগত বৈষম্যই হচ্ছে না, দেশের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলমান, হিন্দু ও বড়ুয়া নাগরিকদেরকে যোগ্য মানব সম্পদে পরিণত করে দেশ ও জাতি গঠনের কাজে লাগানো যাচ্ছে না।<br />
পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে বিশাল ধরনের বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ চুক্তিতে রাঙামাটি চাকমা, খাগড়াছড়ি ত্রিপুরা ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা মারমাদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।<br />
এখানে আরো পরিষ্কার করে যদি বলা হয়, চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সদস্য ব্যতীত পার্বত্য চুক্তির কারণে মুসলমান, বড়ুয়া, হিন্দু, তনচঙ্গা, সাঁওতাল, অহমিয়া, গুর্খা, কুকি, পাংখোয়া, লুসাই, চাক, খুমি, খিয়াং ও ম্রো ইত্যাদি জনগোষ্ঠীর কেউ কোন দিন তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হতে পারবেন না, এসকল জনগোষ্ঠীর সদস্যদের কৌশলে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের অলিখিতভাবে বাঙ্গালি জনগোষ্ঠী তফসীল ভুক্ত করা হয়।<br />
আন্তবর্তীকালিন সরকারের সময়কালিন রাঙামাটি পার্বত্য জেলার প্রায় রাষ্ট্রীয় প্রশাসন বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা সভা করে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর খোঁজ-খবর নিতেন, যেমন-রিজিয়ন কমান্ডার, ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেড, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা, বিশেষ করে মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মারফ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাঙামাটি পার্বত্য জেলা, পুলিশ সুপার, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা, প্রশাসক, রাঙামাটি পৌরসভা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের কিছু দিক আর না দিক তৎকালিন সরকারের পক্ষ থেকে  পাহাড়ে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর খোঁজ-খবর নিয়েছেন।<br />
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর খোঁজ-খবর আর কেউ রাখেন না। উল্লেখ্য, রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের ভূমিকা রহস্যজনক। বর্তমান রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্রেরিত স্বারলিপি প্রেরণের অনুলিপি পর্যন্ত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের দেয়া হয় না। পাহাড়ের জনসেবামূলক প্রশাসন তাহলে কাদের স্বার্থে কাজ করেন ? আমাদের প্রশ্ন।</p>
<p>বিএনপি সরকারের সময়কালিন গঠিত রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদে অন্তর্বীকালিন পরিষদে অদ্যবধি বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর কোন প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে  ২০২৪ সালের জুলাই–-আগস্টে বাংলাদেশে সংঘটিত ঐতিহাসিক ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভুত্থানের পর আন্তর্বতী সরকারের মাধ্যমে ১২ ফেব্রুয়ারি-২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি সরকার গঠন করেন। বলতে গেলে বৈষম্যবিরোধী গণঅভুত্থানের ফসল বিএনপি সরকার। বিএনপি সরকারের মেয়াদ ৮ মাসে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি মূল্যায়ন কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তাকারী উপদেষ্টা কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্টাষ্ট ইত্যাদি গঠন করা হয়। কোন প্রতিষ্ঠানে রাখা হয়নি বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর কোন প্রতিনিধি।<br />
রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি তিন পার্বত্য জেলার ২৬টি উপজেলায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রায় লক্ষাধীক ভোটার। কেবলমাত্র বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৪০ হাজারের অধিক বড়ুয়া ভোটার রয়েছেন।<br />
গত ২ সেপ্টেম্বর-২০২৬ তারিখ বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্টাষ্ট গঠন করা হয়, ১২ জন সদস্যর ভিতর ৫ জনই মারমা সম্প্রদায়ের লোক, ২জন চাকমা সম্প্রদায়ের লোক, পদাধীকার বলে ২ জন মুসলামন সম্পাদায়ের আর যে ৩ জন বড়ুয়া সম্পাদায়ের লোক বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্টাষ্ট্রে দেয়া  হয়েছে তারা কেউ পার্বত্য অঞ্চলের বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর লোক নয়। পার্বত্য অঞ্চলে কি বিএনপি দল করা বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর কোন লোক নাই ? না-কি পার্বত্য অঞ্চলের বড়ুয়ারা শিক্ষিত নয় ? সরকার যদি ধরে নেন,  পার্বত্য অঞ্চলে বড়ুয়াদের কোন অধিকার নাই। তাহলে সেটা ভিন্ন কথা। সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে, পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বড়ুয়ারা জানেন আঙ্গল বাঁকা করে ঘি কি ভাবে তুলতে হয়। পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বড়ুয়াদের আজ অস্তিত্ব রক্ষা করার সময়। পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বড়ুয়াদের অস্তিত্ব রক্ষায় আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ ।<br />
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর সমমর্যাদা) জনাব বিজন কান্তি সরকার এর সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের গত ২১ মে-২০২৬ তারিখ দুপুর ১টায় দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে (কক্ষ নং-৩০৩, পরাতন ১ নং ভবন, বাংলাদেশ সচিবালয়) এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।<br />
উক্ত মতবিনিময় সভা শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর দপ্তরের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী<br />
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫ বরাবর ৮ দফা দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলা প্রশাসন কার্যালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিকট স্মারকলিপি প্রেরণ করা হয়।<br />
এসব স্মারকলিপির কোন সদুত্তর অদ্যবধি পায়নি বড়ুয়া জনগোষ্ঠী।<br />
পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর মানুষ অত্যান্ত শান্তি প্রিয়, তারা শান্তি চায়, উন্নয়ন চায়, একটা সম্মাজনক জীবনধারা চায়। যে জীবনধারায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর মান-মর্যাদা থাকবে।<br />
এজন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সংবিধানের আওতায় ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন-সংগ্রাম করে যাচ্ছি, পার্বত্য অঞ্চলের বড়ুয়ারা নুন্যতম বেঁচে থাকার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সেটাই আমরা কামনা করি।<br />
পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর লোকজন বেঁচে থাকতে চায়, নিজেদের অধিকার চায়, তাই তারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য যে কোন আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে পাহাড়ে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর লোকজন বেঁচে থাকার নুন্যতম অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে প্রস্তুত।</p>
<p>একথা গুলো আমরা গণমাধ্যমের সহযোগিতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের মূখপাত্র হিসাবে বিএনপি সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমার এবং সরকারের নীতি নির্ধারকদের কাছে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর পক্ষে আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।</p>
<p>পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের পক্ষে তাদের এর দাবি সমুহ হচ্ছে ;</p>
<p>১। পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সহ তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা এবং বড়য়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।<br />
২। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি মূল্যায়ন কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তাকারী উপদেষ্টা কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি  কমিশন,পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর বোর্ড সভায়, তিন পার্বত্য জেলা প্রশাসনে আইন শৃংখলা কমিটিতে, তিন পার্বত্য জেলার ২৬টি উপজেলা প্রশাসনে আইন শৃংখলা কমিটিতে, তিন পার্বত্য জেলার পৌরসভার শহর উন্নয়ন কমিটিতে বিশেষ বিবেচনায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা।<br />
৩। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর শুমারির তথ্যে অধ্যায় ৩ রাঙামাটি/বান্দরবান/খাগড়াছড়ি জেলার শুমারির ফলাফল ৩.১.৪ এর ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা ছকে বা খানায় বৌদ্ধ বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের পরিচিতি আলাদা ভাবে উল্লেখ করা হয়নি। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এ শুমারি সম্পর্কিত অধিকতর তথ্য-উপাত্ত আলাদাভাবে ছকে বা খানায় বৌদ্ধ “বড়ুয়া” জনগোষ্ঠীর পরিচিতি সংযুক্ত করা।<br />
৪। রাষ্ট্রীয় ভাবে বৌদ্ধ “বড়ুয়া“ জনগোষ্ঠীর সদস্যরা বৈষম্যের শিকার বিধায় তিন পার্বত্য জেলা বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে জাতীয় সংসদে উচ্চ কক্ষ গঠিত হলে সংসদ সদস্য পদ সংরক্ষিত করে পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দেয়া।<br />
৫। বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি হিসাবে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা থেকে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা।<br />
৬। ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বসবাসরত অন্য সকল জনগোষ্ঠীর ন্যায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর ছাত্র-ছাত্রীদের এবং সদস্যদের সকল সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেয়া। এছাড়া পার্বত্য জেলায় জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, তিন জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ সুপার, জেলা সিভিল সার্জন এর অধীনে ২য় -৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জন্য অন্যান্য জনগোষ্ঠী ( যেমন: মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিষ্টান) র ন্যায় কোটা সংরক্ষণ করার দাবি।<br />
৭। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দিবস এবং  শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সাথে সাক্ষাৎকালিন পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বসবাসরত বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের প্রাণের সংগঠন “পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের” মাধ্যমে উল্লেখিত দিবসে আমন্ত্রণ জানানো।<br />
৮। বৈষম্য বিলোপ কমিশন গঠন করা ইত্যাদি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailysonarbangla.com/5207/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব এর আত্মপ্রকাশ : সভাপতি আজিজুল সম্পাদক লোকমান</title>
		<link>https://www.dailysonarbangla.com/5205</link>
		<comments>https://www.dailysonarbangla.com/5205#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[এগিয়ে যাও বাংলাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[এপার বাংলা ওপার বাংলা]]></category>

		<category><![CDATA[ছবি গ্যালারী]]></category>

		<category><![CDATA[তথ্যপ্রযুক্তি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সারাবাংলা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailysonarbangla.com/5205</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/5510-thumbnail.jpg" alt="" /></span> স্টাফ রিপোর্টার :: রাঙামাটিতে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব নামে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।
জেলার সাংবাদিকদের কর্মদক্ষতা, কর্মপরিবেশ, ঝুঁকি মোকাবিলাসহ বেশ কিছু দিক সামনে রেখে এ সংগঠন গঠন করা হয়েছে।
সোমবার ১২ অক্টোবর রাত ৮ টায় বনরূপাস্থ একটি রেস্টেুরেন্ট এই সংগঠনের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ করা হয়।
এতে জেলার চ্যানেল ওয়ান এর প্রতিনিধি মোহাম্মদ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/5510-thumbnail.jpg" align="left" alt="---" /> স্টাফ রিপোর্টার :: রাঙামাটিতে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব নামে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।<br />
জেলার সাংবাদিকদের কর্মদক্ষতা, কর্মপরিবেশ, ঝুঁকি মোকাবিলাসহ বেশ কিছু দিক সামনে রেখে এ সংগঠন গঠন করা হয়েছে।<br />
সোমবার ১২ অক্টোবর রাত ৮ টায় বনরূপাস্থ একটি রেস্টেুরেন্ট এই সংগঠনের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ করা হয়।<br />
এতে জেলার চ্যানেল ওয়ান এর প্রতিনিধি মোহাম্মদ আজিজুল ইসলামকে সভাপতি, গ্লোবাল টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি মীর মো. লোকমান হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক, দ্যা ডেইলি ইন্ড্রাষ্ট্রি এর জেলা প্রতিনিধি আশিকুর রায়হান ভূঁইয়াকে কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ এর জেলা প্রতিনিধি মো. জাহিদুল ইসলামকে সাংগঠনিক সম্পাদক, দৈনিক নতুন সময় এর জেলা প্রতিনিধি মঈন উদ্দীন খোকনকে সদস্য ও সময় টেলিভিশনের ক্যামেরাপার্সন রাজীব দাশকে সদস্য হিসেবে নাম ঘোষনা করা হয়।<br />
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই কমিটি রাঙামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব এর সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, সদস্য সংগ্রহ, নীতিমালা প্রণয়ন সহ সংগঠনের সকল দায়িত্ব পালন করবে।<br />
নব গঠিত সংগঠনের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার হবে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন ও অধিকার আদায়ে শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailysonarbangla.com/5205/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নতুন মজুরি কাঠামোর আহ্বান</title>
		<link>https://www.dailysonarbangla.com/5203</link>
		<comments>https://www.dailysonarbangla.com/5203#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[এগিয়ে যাও বাংলাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[এপার বাংলা ওপার বাংলা]]></category>

		<category><![CDATA[ছবি গ্যালারী]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailysonarbangla.com/5203</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/3210-thumbnail.jpg" alt="" /></span>দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি বাণিজ্যে পোশাক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও এ খাতের শ্রমিকেরা এখনো জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি থেকে বঞ্চিত-এমন দাবি করেছে বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন।
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রমিক নেতা অরবিন্দু বেপারী বিন্দু এক বিবৃতিতে পোশাকশ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। বুধবার, ৭ অক্টোবর দেওয়া ওই ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/3210-thumbnail.jpg" align="left" alt="---" />দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি বাণিজ্যে পোশাক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও এ খাতের শ্রমিকেরা এখনো জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি থেকে বঞ্চিত-এমন দাবি করেছে বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন।<br />
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রমিক নেতা অরবিন্দু বেপারী বিন্দু এক বিবৃতিতে পোশাকশ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। বুধবার, ৭ অক্টোবর দেওয়া ওই বিবৃতিতে তিনি বলেন, বর্তমান বাজারদর, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং শ্রমিকদের বাস্তব আর্থসামাজিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পোশাকশ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করা জরুরি।<br />
তিনি বলেন, পোশাক খাত দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। অথচ এই খাতের প্রধান চালিকাশক্তি শ্রমিকেরা জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি পাচ্ছেন না। তাই শ্রমিকদের জীবনমান ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বিবেচনায় নিয়ে সময়োপযোগী মজুরি কাঠামো করা প্রয়োজন।<br />
সরকার চলতি অক্টোবর মাসে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে—এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অরবিন্দু বেপারী বিন্দু। একই সঙ্গে তিনি মজুরি বোর্ড গঠনের পর সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ত্রিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান।<br />
তার মতে, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনায় এমন একটি মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করা দরকার, যাতে বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে শ্রমিকেরা সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন এবং একই সঙ্গে পোশাকশিল্পের স্থিতিশীলতাও বজায় থাকে।<br />
মজুরি বৃদ্ধির দাবিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন নিয়মিত কর্মসূচি পালন করে আসছে উল্লেখ করে শ্রমিক নেতা বলেন, ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তবে শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনো তৃতীয় পক্ষ যাতে পোশাকশিল্পে অস্থিতিশীলতা, নাশকতা বা রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।<br />
তিনি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মালিকপক্ষকেও শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সংবেদনশীল হওয়ার কথা বলেন।<br />
অরবিন্দু বেপারী বিন্দুর মতে, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং পোশাকশিল্পের সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার, মালিক ও শ্রমিক-এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও দায়িত্বশীল সংলাপ প্রয়োজন। শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিনামা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।<br />
ফলে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগের মধ্যেই পোশাকশ্রমিকদের জন্য ৩০ হাজার টাকা নিম্নতম মজুরির দাবি সামনে আসায় মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয়, শিল্পের সক্ষমতা এবং খাতটির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা-এই বিষয়গুলো কীভাবে সমন্বয় করা হবে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailysonarbangla.com/5203/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>জাঁকজমকপূর্ণভাবে রাঙামাটিতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন</title>
		<link>https://www.dailysonarbangla.com/5201</link>
		<comments>https://www.dailysonarbangla.com/5201#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[এগিয়ে যাও বাংলাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[এপার বাংলা ওপার বাংলা]]></category>

		<category><![CDATA[ছবি গ্যালারী]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সারাবাংলা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailysonarbangla.com/5201</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/3214-thumbnail.jpg" alt="" /></span> স্টাফ রিপোর্টার :: রাঙামাটিতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন করা হয়েছে।
৮ আক্টোম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে রাঙামাটি শহরের কাঁঠালতলীতে অবস্থিত রাঙামাটি শাখায় কেক কেটে এই ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের শুভ সূচনা করা হয়।
রাঙামাটিতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার।
এসময় ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/3214-thumbnail.jpg" align="left" alt="---" /> স্টাফ রিপোর্টার :: রাঙামাটিতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন করা হয়েছে।<br />
৮ আক্টোম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে রাঙামাটি শহরের কাঁঠালতলীতে অবস্থিত রাঙামাটি শাখায় কেক কেটে এই ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের শুভ সূচনা করা হয়।<br />
রাঙামাটিতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার।<br />
এসময় রাঙামাটি বার এসোসিয়েশনের সভাপতি এডভোকেট শাহ্ আলম, সাবেক সভাপতি এডভোকেট মোখতার হোসেন, রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য সুপর্ণ দেব বর্মন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুঁই চাকমা, রাঙামাটি বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শিশুমনি চাকমা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষক,  ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং  নানা পেশার গ্রাহক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।<br />
উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আইএফআইসি ব্যাংক রাঙামাটি শাখার ব্যবস্থাপক সৌরভ চৌধুরী।<br />
এ সময় ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের গ্রাহক ও নানা পেশা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক, ব্যবসায়ীরা ও  গ্রাহকরা।<br />
বক্তারা দেশের ব্যাংকিং খাতে আইএফআইসি ব্যাংকের দীর্ঘ ৫০ বছরের অবদান ও অগ্রযাত্রার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং রাঙামাটিবাসীর দোরগোড়ায় আধুনিক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।<br />
পরে অতিথিরা কেক কেটে আনন্দ ভাগাভাগি করেন এবং ব্যাংকের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailysonarbangla.com/5201/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পার্বতীপুরে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু</title>
		<link>https://www.dailysonarbangla.com/5199</link>
		<comments>https://www.dailysonarbangla.com/5199#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ছবি গ্যালারী]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সারাবাংলা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailysonarbangla.com/5199</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/3622.jpg" alt="" /></span> রুকুনুজ্জামান, প্রতিনিধি পার্বতীপুর :: দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাইদুর রহমান ওরফে অমল (৩৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার ৭ অক্টোবর ভোররাতে পার্বতীপুর পৌর শহরের নয়াপাড়া এলাকার দক্ষিণ পাশে জাহানারাবাদ কেরুরমোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাইদুর রহমান পার্বতীপুর পৌর শহরের ইব্রাহিমনগর এলাকার বাবু হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে। পুলিশ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/3622.jpg" align="left" alt="---" /> রুকুনুজ্জামান, প্রতিনিধি পার্বতীপুর :: দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাইদুর রহমান ওরফে অমল (৩৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।<br />
বুধবার ৭ অক্টোবর ভোররাতে পার্বতীপুর পৌর শহরের নয়াপাড়া এলাকার দক্ষিণ পাশে জাহানারাবাদ কেরুরমোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাইদুর রহমান পার্বতীপুর পৌর শহরের ইব্রাহিমনগর এলাকার বাবু হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোররাতে কয়েকজন ব্যক্তি নেসকোর বিদ্যুতের পোল থেকে তার চুরি করতে সেখানে যায়। এ সময় সাইদুর রহমান বিদ্যুতের পোলের ওপর উঠে তার কাটার চেষ্টা করলে বিদ্যুতের তারে হাত লাগে। এতে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যান। এ সময় তার সঙ্গে থাকা সহযোগীরা পালিয়ে যায়। প্রায় দুই মাস আগে চুরির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল। পরে সকালে স্থানীয়রা ধানক্ষেতে সাইদুর রহমানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ উদ্ধার করে। পার্বতীপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক চন্দ্র রায় জানান, ভোরে কয়েকজন চোর বিদ্যুতের পোল থেকে তার চুরি করতে উঠেছিল। এ সময় সাইদুর রহমান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে মারা যান। তার সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।<br />
পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি আ. ওয়াদুদ জানান, নিহত সাইদুর রহমান নেশাগ্রস্ত ছিলেন এবং চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailysonarbangla.com/5199/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>করেরহাটে অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি</title>
		<link>https://www.dailysonarbangla.com/5197</link>
		<comments>https://www.dailysonarbangla.com/5197#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ছবি গ্যালারী]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সারাবাংলা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailysonarbangla.com/5197</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/1172-thumbnail.jpg" alt="" /></span> আকতার হোসেন, মিরসরাই :: মিরসরাইয়ের করেরহাটের গেড়ামারায় অগ্নিকান্ডে ৩পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ১নং করেরহাট ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গেড়ামারা আবু আহম্মদ মার্কেট সংলগ্ন বাদামতলী শাহাব উদ্দিনের বাড়ির দিনমজুর ছোবহানের বসতঘরে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে ৩ পরিবারের বসতঘর, বসতঘরের আসবাবপত্র, ১ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৫০ হাজার টাকা সহ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/1172-thumbnail.jpg" align="left" alt="---" /> আকতার হোসেন, মিরসরাই :: মিরসরাইয়ের করেরহাটের গেড়ামারায় অগ্নিকান্ডে ৩পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।<br />
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ১নং করেরহাট ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গেড়ামারা আবু আহম্মদ মার্কেট সংলগ্ন বাদামতলী শাহাব উদ্দিনের বাড়ির দিনমজুর ছোবহানের বসতঘরে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে ৩ পরিবারের বসতঘর, বসতঘরের আসবাবপত্র, ১ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৫০ হাজার টাকা সহ পুড়ে প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।</p>
<p>অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা হলেন, মোঃ ছোবহান, তার পুত্র সোহেল ও ইকবাল।</p>
<p>ক্ষতিগ্রস্ত ছোবহানের ছোট ছেলে আকাশ জানান, দুপুর ১২ টার দিকে বসতঘরের দক্ষিণ পশ্চিম কোন থেকে অগ্নিকান্ডে বিদ্যুৎ এর মিটার বিস্ফারণ ঘটে, তারপর আগুনের লেলিহান শিখা মুহুর্তের মধ্যে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে, সাড়ে ১২ টার দিকে বারইয়াহাট ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছে ততক্ষণে ঘরের বেশিরভাগ পুড়ে ছাই হয়ে যাঁয়, কোনকিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। অগ্নিকান্ডে ১৫ ১৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের এই সদস্য।</p>
<p>করেরহাট ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ফারুক, যুবদল নেতা, নুরউদ্দিন, ছাত্রদল নেতা নুর হোসেন সহ অনেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।</p>
<p>বারইয়াহাট ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ষ্টেশন এর সিনিয়র স্টেশন অফিসার জয়নাল আবেদীন জানান, করেরহাটের গেড়ামারা এলাকায় ছোবহানের বসতঘরে অগ্নিকান্ডে আড়াই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, বিদ্যুতিক শর্টশার্কিট থেকে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailysonarbangla.com/5197/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পোশাক শ্রমিকের নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি</title>
		<link>https://www.dailysonarbangla.com/5194</link>
		<comments>https://www.dailysonarbangla.com/5194#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailysonarbangla.com/5194</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/65777-thumbnail.jpg" alt="" /></span>বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং কর্মসংস্থানে এ শিল্পের অবদান অনস্বীকার্য। অথচ এই শিল্পের প্রধান চালিকাশক্তি শ্রমিকরা এখনো জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি থেকে বঞ্চিত।
এ অবস্থায় বর্তমান বাজারদর, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং শ্রমিকদের বাস্তব আর্থসামাজিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/65777-thumbnail.jpg" align="left" alt="---" />বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং কর্মসংস্থানে এ শিল্পের অবদান অনস্বীকার্য। অথচ এই শিল্পের প্রধান চালিকাশক্তি শ্রমিকরা এখনো জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি থেকে বঞ্চিত।</p>
<p>এ অবস্থায় বর্তমান বাজারদর, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং শ্রমিকদের বাস্তব আর্থসামাজিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রমিক নেতা অরবিন্দু বেপারী বিন্দু।</p>
<p>এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, শ্রমিকদের জীবনমান ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বিবেচনায় নিয়ে সময়োপযোগী মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করা এখন জরুরি। সরকার চলতি অক্টোবর মাসে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়ে যে উদ্যোগের কথা জানিয়েছে, তাকে তিনি স্বাগত জানান।</p>
<p>অরবিন্দু বেপারী বিন্দু বলেন, মজুরি বোর্ড গঠনের পর সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ত্রিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনায় নিয়ে এমন একটি মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করা প্রয়োজন, যাতে শ্রমিকরা বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন এবং একই সঙ্গে পোশাক শিল্পের স্থিতিশীলতাও বজায় থাকে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, মজুরি বৃদ্ধির দাবিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন রাজপথে কর্মসূচি পালন করে থাকে। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তবে শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনো তৃতীয় পক্ষ যাতে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, নাশকতা বা রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।</p>
<p>শ্রমিক নেতা অরবিন্দু বেপারী বিন্দু বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে মালিকপক্ষকেও শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সংবেদনশীল হতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং পোশাক শিল্পের সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার, মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও দায়িত্বশীল সংলাপ প্রয়োজন। শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিনামা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailysonarbangla.com/5194/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রাঙামাটিতে জমি বিরোধ নিয়ে ১৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের চার্জশিট</title>
		<link>https://www.dailysonarbangla.com/5192</link>
		<comments>https://www.dailysonarbangla.com/5192#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ছবি গ্যালারী]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সারাবাংলা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailysonarbangla.com/5192</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/7369-thumbnail.jpg" alt="" /></span> ‎স্টাফ রিপোর্টার (রাঙামাটি)  :: ‎রাঙামাটি সদর উপজেলার রাঙ্গাপানি মৌজায় ১০ শতক জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধের ঘটনায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। জমি দখল, প্রতারণা, জাল কাগজপত্র তৈরি ও ব্যবহার এবং হুমকির অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছে তদন্তকারী পুলিশ।
‎‎রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ২৯ জুলাই ২০২৬ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/7369-thumbnail.jpg" align="left" alt="---" /> ‎স্টাফ রিপোর্টার (রাঙামাটি)  :: ‎রাঙামাটি সদর উপজেলার রাঙ্গাপানি মৌজায় ১০ শতক জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধের ঘটনায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। জমি দখল, প্রতারণা, জাল কাগজপত্র তৈরি ও ব্যবহার এবং হুমকির অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছে তদন্তকারী পুলিশ।<br />
‎‎রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখের ৮৪ নম্বর অভিযোগপত্রে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর একই দিন অভিযোগপত্রটি আদালতে দাখিল করা হয়।<br />
‎‎মামলার এজাহার ও পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, রাঙামাটি সদর উপজেলার ১০২ নম্বর রাঙ্গাপানি মৌজার ৩৩৮১ নম্বর দাগে ৪ শতক এবং ৩৩৮৩ নম্বর দাগে ৬ শতক—মোট ১০ শতক জমি মৃত মো. আবু তাহেরের নামে রেকর্ডভুক্ত। মিউটেশন মামলা নম্বর ২৫৭/১৯৮৪-৮৫-এর মাধ্যমে তিনি ওই জমির মালিকানা লাভ করেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।<br />
‎‎জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখার তদন্ত প্রতিবেদনেও জমাবন্দিতে ওই জমির রেকর্ড সঠিক এবং জমিটি ব্যক্তি মালিকানাধীন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সরকারের ভূমি উন্নয়ন কর ছাড়া ওই জমিতে সরকারের অন্য কোনো স্বত্ব বা স্বার্থ নেই।<br />
‎‎নথি অনুযায়ী, মো. আবু তাহের ২০১৬ সালের ২ ডিসেম্বর মারা যাওয়ার পর তাঁর স্ত্রী, সন্তান ও অন্যান্য উত্তরাধিকারীরা জমিটির মালিকানা দাবি করেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রকৃত মালিকানা সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন ব্যক্তি জমিটিকে খাস জমি হিসেবে দেখিয়ে বিভিন্ন হলফনামা ও কাগজপত্র তৈরি করেন এবং পরবর্তী সময়ে সেগুলো জমির মালিকানার প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ব্যবহার করেন।<br />
‎‎পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মো. ছিদ্দিককে বিক্রেতা এবং চম্পা বেগমকে ক্রেতা দেখিয়ে ২০১০ সালের ৩১ আগস্ট ১৭৮/২০১০ নম্বর একটি হলফনামা তৈরি করা হয়। পরবর্তী সময়ে চম্পা বেগম চার শতক জমিকে খাস জমি হিসেবে দাবি করে সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ ও পৌর হোল্ডিং গ্রহণ করেন বলেও তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।<br />
‎‎এ ছাড়া সাইদা বেগম ওরফে শাহিদা বেগমসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ওই জমি অন্যদের কাছে বিক্রি ও দখল হস্তান্তরের অভিযোগের কথাও তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।<br />
‎‎জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে মৃত আবু তাহেরের নামে ১০ শতক জমি রেকর্ডভুক্ত থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তে উল্লেখ করা ১০টি বিদ্যুৎ মিটারের মধ্যে চম্পা বেগম, আব্দুল খালেক ও সাইদা বেগম ওরফে শাহিদা বেগমের সংযোগের ক্ষেত্রে ভূমির মালিকানা বা ব্যবহারকারীর পক্ষে বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। পরে কোতয়ালী থানার সহায়তায় ওই তিনটি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।<br />
‎‎বাকি সাতজন গ্রাহকের মালিকানা-সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র চাওয়া হলে তাঁরা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শরণাপন্ন হন। তাঁদের বিষয়ে আদালতে কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে বিউবোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।<br />
‎‎এদিকে মৃত আবু তাহেরের ওয়ারিশদের অভিযোগ, অভিযুক্তদের কেউই ওই জমির বৈধ মালিক নন এবং তাঁদের কাছে মালিকানার বৈধ কাগজপত্রও নেই। তাঁদের প্রশ্ন, মালিকানা-সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে পৌর হোল্ডিং ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলো।<br />
‎‎ওয়ারিশদের আরও অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর চম্পা বেগম নিজেকে রাঙামাটি সদর থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ড জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী পরিচয় দিয়ে তাঁর ও তাঁর স্বামীর নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে হুমকি ও হয়রানি করছেন।<br />
‎‎তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চম্পা বেগম। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ২০১০ সালে মো. ছিদ্দিকের কাছ থেকে চার শতক খাস জমি কিনে সেখানে ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। তাঁর কাছে খাস জমি ক্রয়ের কাগজ ছাড়া অন্য কোনো কাগজপত্র নেই। তিনি দাবি করেন, ওই জমির মালিক মৃত মো. আবু তাহের নন।<br />
‎‎চম্পা বেগম আরও বলেন, জায়গাটি কোনো কারণে ছেড়ে দিতে হলে তিনি ছেড়ে দেবেন বলেও জানান।” মামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না দাবি করে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।<br />
‎‎পুলিশের তদন্ত শেষে মো. ছিদ্দিক, চম্পা বেগম, আব্দুল খালেক, আব্দুল জলিল, তৈয়বা বেগম ওরফে তৈয়বা খাতুন, সাইদা বেগম ওরফে শাহিদা বেগমসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।<br />
‎‎তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে জমিতে প্রবেশ, জমি দখল, প্রতারণা, জাল কাগজপত্র তৈরি ও ব্যবহার এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছে পুলিশ।<br />
বর্তমানে মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailysonarbangla.com/5192/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>পদত্যাগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব সংহতির সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম</title>
		<link>https://www.dailysonarbangla.com/5190</link>
		<comments>https://www.dailysonarbangla.com/5190#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ছবি গ্যালারী]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সারাবাংলা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailysonarbangla.com/5190</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/425-thumbnail.jpg" alt="" /></span> স্টাফ রিপোর্টার :: এবার পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় বিপ্লবী যুব সংহতির সদস্য সচিব ও  বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য মীর রেজাউল আলম।
আজ শুক্রবার ২ অক্টোবর-২০২৬ তারিখ মীর রেজাউল আলম স্বহস্তে লিখিত বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বরাবর প্রেরিত পদত্যাগ পত্রে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, পদত্যাগের কারণসমূহ :
প্রথম ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/10/425-thumbnail.jpg" align="left" alt="---" /> স্টাফ রিপোর্টার :: এবার পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় বিপ্লবী যুব সংহতির সদস্য সচিব ও  বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য মীর রেজাউল আলম।<br />
আজ শুক্রবার ২ অক্টোবর-২০২৬ তারিখ মীর রেজাউল আলম স্বহস্তে লিখিত বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বরাবর প্রেরিত পদত্যাগ পত্রে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, পদত্যাগের কারণসমূহ :<br />
প্রথম কারণ, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব নয়, রাজনৈতিক ও আদর্শিক দ্বন্দ্ব। পার্টিতে তিনি দেখতে পেয়েছেন এখানে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোন কর্মকান্ড পরিচালিত হয় না, একক ব্যক্তির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পার্টি পরিচালিত হয়। কেন্দ্রিয় কমিটির সাথে কোন আলোচনা ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যা গঠনতন্ত্র বিরোধী।<br />
দ্বিতীয়, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি বামপন্থ দল হিসেবে সারাদেশে পরিচিত হলেও ৫ই আগস্ট জুলাই গণ অভ্যুত্থানের পর এটি অনেকটা বুর্জোয়া দলে পরিণত হয়েছে।<br />
তৃতীয়, তিনি বিপ্লবী খুব সংহতির কেন্দ্রিয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব হওয়ার পরেও অনেক সিদ্ধান্ত তাকে ছাড়াই নেওয়া হয় যা গঠনতন্ত্র বিরোধী।<br />
চতুর্থত কেন্দ্রিয় কমিটিতে আলোচনা না করে পলিটব্যুরোর নাম ব্যবহার করেও অনেক সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যা পার্টির গঠনতন্ত্র বিরোধী।<br />
৫ম বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টিতে কর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয় বলে তার কাছে মনে হয়। অর্থাৎ অনেক কর্মীদের মিছিল মিটিয়ের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।<br />
৬ষ্ঠ কারণ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ১৭ বছর মৃত্যুবরণ করলেও আজ অবধি নতুন সভাপতি নির্বাচন করা হয়নি। সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক পরিচালিত হয় । তাই  তিনি মনে করেন, ক্ষমতার ভারসাম্য নেই। অর্থাৎ একক ব্যক্তির দ্বারাই পরিচালিত হয়।<br />
আদর্শিক কারণে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে মীর রেজাউল আলম  পদত্যাগ করেন।<br />
উল্লেখ্য, গত ২২ জুলাই-২০২৬ তারিখ কেন্দ্রীয় বিপ্লবী যুব সংহতির আহবায়ক ও  বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য বাবর চৌধুরী পদত্যাগ করেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailysonarbangla.com/5190/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রাঙামাটি জেলা বিএনপি নেতার আশির্বাদে আওয়ামীলীগ নেতা সহ-সভাপতি</title>
		<link>https://www.dailysonarbangla.com/5188</link>
		<comments>https://www.dailysonarbangla.com/5188#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[এগিয়ে যাও বাংলাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[এপার বাংলা ওপার বাংলা]]></category>

		<category><![CDATA[ছবি গ্যালারী]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[প্রান্তিক জনগোষ্ঠী]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সারাবাংলা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.dailysonarbangla.com/5188</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/09/udayon-thumbnail.jpg" alt="" /></span>স্টাফ রিপোর্টার :: রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও রাঙামাটি বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির নাম ব্যবহার করে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আর্থিক অনিয়মসহ চরম কর্তৃত্ববাদী স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেছেন সাবেক সাধারন সম্পাদক উদয়ন বড়ুয়া। রাঙামাটি জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা কৃষক দলের নেতার ছত্রছায়াতে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ নেতা উদয়ন বড়ুয়া নতুন করে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.dailysonarbangla.com/cloud/archives/2026/09/udayon-thumbnail.jpg" align="left" alt="---" />স্টাফ রিপোর্টার :: রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও রাঙামাটি বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির নাম ব্যবহার করে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আর্থিক অনিয়মসহ চরম কর্তৃত্ববাদী স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেছেন সাবেক সাধারন সম্পাদক উদয়ন বড়ুয়া। রাঙামাটি জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা কৃষক দলের নেতার ছত্রছায়াতে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ নেতা উদয়ন বড়ুয়া নতুন করে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে অধিষ্টিত হয়েছেন।<br />
জানাযায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর-২০২৪ ইংরেজি তারিখ জোন কমন্ডার, ১১ বেঙ্গল রেজিমেন্ট, রাঙামাটি সদর জোন, রাঙামাটি বরাবর এধরনের অভিযোগ করেন রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও রাঙামাটি বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহারের সাধারন সদস্য ধীমান বড়ুয়া এবং সম্ভু বড়ুয়া ।<br />
বাদী-বিবাদীর জবান বন্দি ও সাক্ষী সবুদ গ্রহন করে উভয়ের বক্তব্য শুনে রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও রাঙামাটি বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত করে ২৭ সেপ্টেম্বর-২০২৪ ইংরেজি তারিখ থেকে ধীমান বড়ুয়া এবং ত্রিদিব বড়ুয়ার নেতৃত্বে রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও রাঙামাটি বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনার জন্য নতুন কমিটি গঠনের আইনগত ভাবে আদেশ প্রদান করেন স্থানীয় প্রশাসন।<br />
উক্ত আহবায়ক কমিটি ও উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্যরা রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও রাঙামাটি বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা করবেন।<br />
তৎকালে উল্লেখিত কমিটির নেতৃত্বে ১৭ ও ১৮ অক্টোবর-২০২৪ ইংরেজি তারিখ রাঙামাটি বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার এর ২৫ তম কঠিন চীবর দানানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।<br />
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি-২৯৯ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী দীপেন দেওয়ান (ধানের শীষ প্রতীক) বিজয়ী হওয়ার পর থেকে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা কৃষক দলের নেতার আশ্রয়ে আওয়ামীলীগ চক্রটি সক্রিয় হয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর-২০২৪ ইংরেজি তারিখ গঠিত ত্রিদিব বড়ুয়া - ধীমান বড়ুয়ার নেতৃত্বে গঠিত রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও রাঙামাটি বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনার দায়িত্ব কেড়ে নেয়া হয় উদয়ন বড়ুয়া নেতৃত্বে।<br />
যাহা পরে ১৯/০৫/২০২৬ তারিখে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট তথাকথিত রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও রাঙামাটি বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটি গঠন করেন। সেই কমিটির অনুমোদন করেন ৮০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎকারী উদয়ন বড়ুয়া’র লোক স্বঘোষিত প্রধান উপদেষ্টা সুকুমার মুৎসুদ্দী ও স্বঘোষিত উপদেষ্টা রবিন্দ্র লাল বড়ুয়া। যাহা রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটিকে পাশ কাটিয়ে সংস্থার গঠনতন্ত্র বিরোধী একটি কর্মকান্ড।<br />
একটি নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহন করবে পূর্বের কমিটির কাছ থেকে এধরনের রেওয়াজ দেশে প্রতিটি ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে চলমান রয়েছে। কিন্তু স্বৈরাচারের দোসর ফ্যাসিষ্ট উদয়ন বড়ুয়া রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনার ক্ষমতা ফিরে পেতে স্বঘোষিত প্রধান উপদেষ্টা সুকুমার মুৎসুদ্দী ও স্বঘোষিত উপদেষ্টা রবিন্দ্র লাল বড়ুয়াকে ব্যবহার করেছে। প্রশ্ন থেকে যায়, সুকুমার মুৎসুদ্দী ও রবিন্দ্র লাল বড়ুয়া তাদের দুইজনকে প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দিলো কারা?<br />
২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।<br />
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কোনো ধরনের আশ্রয় বা প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কড়া নির্দেশনা ও সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।<br />
অতীতে রাঙামাটিতে কিছু জায়গায় স্থানীয় পর্যায়ে ব্যক্তিগত বা বিচ্ছিন্নভাবে নেতাকর্মীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ বা বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা তৈরি হলেও, বর্তমানে জেলা বিএনপির শীর্ষ পর্যায় ও অঙ্গসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নাশকতা এড়াতে কঠোর থাকার এবং এসব অপচেষ্টাকারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় না দেওয়ার রাঙামাটি জেলা বিএনপির কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।<br />
তার পরও রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহারের সেই গঠনতন্ত্রকে অমান্য করে বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে ১৩ বৎসর যাবত বিহার ও সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে বিহারের প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার বেশি অর্থের হিসাব গড়মিল, অনিয়মের মাধ্যমে বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর টাকা আত্মসাৎকারী বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির ৮৩ নং কার্যানির্বাহী সদস্য, রাঙামটি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও রাঙামাটি আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ সভাপতি উদয়ন বড়ুয়াকে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা কৃষক দলের নেতার আশির্বাদপুষ্ট হয়ে রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে আসিন হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বড়ুয়া নেতৃবৃন্দ।<br />
উল্লেখ্য, রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক উদয়ন বড়ুয়ার বিরুদ্ধে সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্গন করে সাধারন পরিষদ গঠন না করে পকেট কমিটি মাধ্যমে ১৩ বছর ধরে ক্ষমতা আকড়ে ধরে রাখার অভিযোগে রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহারের সদস্য/সদস্যা এবং দায়ক-দায়িকারা জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা (জেলা লিগ্যাল এইড অফিস) রাঙামাটির এডিআর নং-৮৬৪/২০২৪ তারিখ : ০৯/০৭/২০২৪ ইংরেজি অভিযোগ করেন।<br />
রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি উদয়ন বড়ুয়ার বিরুদ্ধে রাঙামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহার কমিটির ৮০ লক্ষ টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাত করার অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে চলমান থাকার পরও রাঙামাটি জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা কৃষক দলের নেতার আশির্বাদে তিনি বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনোনীত হন।<br />
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাৎকারী আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া এখনো রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের বাজার ফান্ডের ষ্টাফ কোয়ার্টারে বছরের পর বছর ধরে তার পৈত্রিক সম্পদের মত সরকারি ষ্টাফ কোয়াটার ভোগ দখল করে স্বপরিবারে বসবাস করছে।<br />
এবিয়য়ে রাঙামাটিতে বসবাসকারী বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর দায়ক-দায়িকারা ক্ষমতাসীন দল বিএনপির জেলা নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.dailysonarbangla.com/5188/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
